মেইন ম্যেনু

নকল সিগারেট তৈরির কারখানার সন্ধান

রাজশাহী : রাজশাহীর পবা উপজেলার বাগসারা এলাকায় নকল সিগারেটের কারখানা সন্ধান পায়েছে র‌্যাব-৫।

বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে ওই কারখানাটি থেকে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট, বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের সিগারেটের লেভেল ও সিগারেট তৈরির যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেছে।

এ সময় সিগারেট তৈরির সঙ্গে জড়িত ছয় কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। তবে পলাতক রয়েছে কারখানার মালিক ও ব্যবস্থাপক। আটক কর্মচারীরা জানিয়েছেন, ওই কারখানায় গোল্ডলিফ ও চার্ম স্পেশালসহ দেশি-বিদেশি নামি-দামি ব্র্যান্ডের সিগারেট তৈরি হতো। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে এ কাজ চলছিল।

পরে কর্মচারীদের প্রত্যেককে ৫০০ টাকা জরিমানা করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে কারখানা মালিককে অজ্ঞাত হিসেবে উল্লেখ করে এবং তার ব্যবস্থাপক বোরহান উদ্দিনকে পলাতক দেখিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নিলুফার ইয়াসমিন ও আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল দুপুরে বাগসারা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় নকল সিগারেট তৈরির ওই কারখানা থেকে ৭২ বস্তা তামাক, ২৮ বস্তা সিগারেটের সলতা (যার পরিমাণ প্রায় ৩৬ লাখ), ৫ লাখ পিস গোল্ডলিফ ও শফিক গোল্ডের লেভেল, ৪ লাখ পিস চার্ম স্পেশাল সিগারেটের লেভেল, সিগারেট তৈরির যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়।

এ ছাড়াও আটক করা হয় ছয় কর্মচারীকে। তারা প্রত্যেকেই শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন ওই কারখানায়। তবে তার আগেই পরিস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ওই করখানার অজ্ঞাত মালিক ও ব্যবস্থাপক বোরহান উদ্দিন।

শ্রমিকরা জানান, ওই কারখানায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নামি-দামি কোম্পানির সিগারেট তৈরি হতো। দীর্ঘদিন ধরেই এ কাজগুলো করতেন ওই কারখানার মালিক। সিগারেটগুলো রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হতো। এতে করে সিগারেটের ওপর থেকে সরকার যে রাজস্ব আয় করে সেটি থেকে বঞ্চিত হতো।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নিলুফার ইয়াসিমন জানান, সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা মূল্যের মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে আটক সিগারেটের সলতাসহ সিগারেট তৈরির মালামালগুলো আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে যন্ত্রপাতিগুলো জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই