মেইন ম্যেনু

কলারোয়ার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন

নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ ঘটেনি ৮বছরেও

সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা লাগোয়া ইউনিয়নের নাম লাঙ্গলঝাড়া। উপজেলা ও পৌর সদরের কাছের এই ইউনিয়নটি নানা দিক থেকে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। এই ইউনিয়নের ৮ টি গ্রামে চোখে পড়ার মতো কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন ঘটেনি এই ইউনিয়নের একটিও গ্রামেও। গত ৮ বছর এই ইউনিয়নের কোথাও নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হযনি। তথ্য-প্রযুক্তির এই বিশ্বে বিদ্যুৎ ছাড়া সব কিছু অচল। সেটা সকলেরই জানা। বিদ্যুৎবিহীন এই জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ নির্ভর সব ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। মঙ্গলবার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনের সাথে আলাপ করে এ তথ্য জানা গেছে।

বিদ্যুত লাঙ্গলঝাড়া ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ কালাম বলেন, গত ৮ বছরে এ ইউনিয়নের একটি গ্রামেও নতুন কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়নি। যা খুবই দু:খজনক। জানা গেছে, এ ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামের ৭০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ বঞ্চিত। প্রায় ৩শ’ পরিবার বিদ্যুৎ সেবার আওতার বাইরে। লাঙ্গলঝাড়া গ্রামের হিন্দু ও কামারপাড়ায় ১৫০ টির মতো পরিবার বিদ্যুৎ বঞ্চিত রয়েছে। লোহাকুড়া গ্রামের মাঠাপাড়ার শতাধিক পরিবারেরও একই অবস্থা। অনরূপ রামচন্দ্রপুর মাঠপাড়া ও শাহপুর মাঠপাড়ার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ সেবার বাইরে থাকার কারণে এই বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা কী পরিমাণ পিছিয়ে যাচ্ছে, তা বলা বাহুল্য। কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক ও লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পুলিশিং ফোরামের সভাপতি গোলাম রহমান জানান, চেয়ারম্যান এমএ কালামসহ এলাকার মানুষ নতুন বিদ্যুৎ সংয়োগ পেতে চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু তাতে কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যায়নি। অনুরূপ মতামত ব্যক্ত করেন লাঙ্গলঝাড়ার ব্যবসায়ী গোলাম রসুল।

বিদ্যুতের তারএ বিষয়ে আলাপকালে ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ কালাম বলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে ৩ বার ও বর্তমান সংসদ সদস্যের কাছ থেকে ২ বার ডিও লেটার নিয়েও নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায়নি। নতুন সংযোগ না পাওয়া জনগোষ্ঠী রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমএ কালাম আরও বলেন, কেন, কী কারণে এই নতুন সংযোগ মিলছে না-তার সদুত্তর আমি দিতে পারছি না ইউনিয়নবাসীকে। কলারোয়া উপজেলার প্রায় সকল স্থানে বর্তমান সরকারের সময়ে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়মিত বিরতিতে দেয়া হলেও সেই তালিকায় লাঙ্গলঝাড়া না থাকাটা হতাশাজনক। এ ইউনিয়নের বিদুৎবঞ্চিত মানুষ চাইছেন, শীঘ্র তাদের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাক।






মন্তব্য চালু নেই