মেইন ম্যেনু

দেবহাটা সীমান্তে ৮ বাংলাদেশী নাগরিক আটক

৩৪ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন, নীলডুমুর এর আওতাধীন দেবহাটা উপজেলার শাখরা বিওপির নম্বর-৫১৫৯৬ নায়েক মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকাল ৭ টার দিকে শাখরা বাজার হতে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে আসার প্রাক্কালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমারী গ্রামের জিহাদ শিকারীর ছেলে জামাল ফারুক (২৯), জামাল ফারুকের স্ত্রী তাছলিমা বিবি (২৬), তার দুই ছেলে আরিফ (১১), আলমগীর (০৮), কন্যা তাছমিরা (০৫), আশাশুনি উপজেলার শৈলখালী গ্রামের মমিন হোসেনের ছেলে জাহাংগীর (১৮), হরিনগর গ্রামের আবু বক্কার সিদ্দিকের ছেলে মাসুম বিলাহ (২০), আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর গ্রামের নুর মোহাম্মাদের ছেল জহিরুল ইসলাম (২২) কে আটক করেন। এসময় সাতক্ষীরা সদরের শাখরা গ্রামের মৃত জহর আলীর ছেলে মোহর আলী (৬৫) ও হাড়দ্দহ গ্রামের ইয়ার আলীর ছেলে রুহুল আমিন (২৮) পালিয়ে যায়। তাদের রিরুদ্ধে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।

প্রয়াত ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনের সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল গনির শেষ স্মৃতি: আমাদের ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিক প্রয়াত আব্দুল মতিনের সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গনির শেষ দেখা হয়েছিল ঢাকার শিল্পকলা একাডেমীতে। ৫২র ভাষা আন্দোলনের সংগ্রাম কমিটির সভাপতি প্রয়াত ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন কিছুদিন আগে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। কিন্তু রেখে গেছেন আমাদের ভাষা আন্দোলনের তার ভূমিকার নানান স্মৃতি। আর রেখে গেছেন তার সদা হাস্যোজ্জ্বল চিরচেনা মুখখানি। যেসব মানুষ ওনার সংষ্পর্শ পেয়েছেন তাদের স্মৃতির মায়াবনে উকি দেয় আব্দুল মতিনের নানা দিকনির্দেশনা ও দেশপ্রেমের নানান কথা। তেমনি স্মৃতি উকি দিচ্ছে দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল গনির। গত ২০১০ সালের ১৫ আগষ্ট ঢাকার শিল্পকলা একাডেমীতে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী পুরষ্কার বিজয়ী হিসেবে আব্দুল গনি গিয়েছিলেন পুরষ্কার গ্রহনের জন্য। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন। পুরষ্কার গ্রহনের আগে বক্তব্য রেখেছিলেন আব্দুল গনি। তার পরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখে আব্দুল মতিন পুরষ্কারটি তুলে দিয়েছিলেন আব্দুল গনির হাতে। আলহাজ্ব আব্দুল গনি সেদিনের স্মৃতির কথা কথা তুলে ধরে বলেন, সেসময়ে ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনের যে হাসিমাখা মুখখানি তিনি দেখেছিলেন এখনো তার স্মৃতির মনিকোঠায় তা উকি দিচ্ছে। তিনি জানান, সেসসময় ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন তাকে বলেছিলেন “আমি ভাষা সৈনিক হিসেবে এই পুরস্কারটি একজন রনাঙ্গনের বীর সেনা মুক্তিযোদ্ধাকে তুলে দিতে পেরে নিজেকে যেমন ভাগ্যবান মনে করছি তেমনি খুব ভাল লাগছে”। উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল গনি এসময় আবেগআপ্লুত হয়ে বলেন, সেই দিনের যে কথা আব্দুল মতিন হাসি মুখে বলেছিলেন সেটা এখনো তার হ্নদয়ে দোলা দেয়। তিনি মহান আল্লাহ পাকের দরবারে মরহুম আব্দুল মতিনের রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।






মন্তব্য চালু নেই