মেইন ম্যেনু

সংবাদ সম্মেলন

কলারোয়ার কামারালী হাইস্কুলে গনতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের দাবি

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কামারালী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র দত্তের স্বেচ্ছাচারিতা সীমাহীন পর্যায়ে পৌছেছে। যখন তখন বিদ্যালয় ত্যাগ করে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়ানো তার স্বভাবে পরিনত হয়েছে। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে তার একপেশে আচরন হতবাক করেছে স্থানীয়দের। গনতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনে অংশগ্রহনে ইচ্ছুক অভিভাবকদের তিনি মনোনয়নপত্র কিনতে পযন্ত দিচ্ছেননা। তিনি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার যোগসাজসে পকেট কমিটি করার পায়তারা চালাচ্ছেন। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আযোজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন ওই বিদ্যালয়ের অভিভাবক আব্দুর ওহাব।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কামারালী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারী শেষ হয়। চলতি বছরের ০৫ মে অন্তর্বর্তীকালিন আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। যার আহবায়ক মনোনিত হন আব্দুল মালেক। বিদ্যালয়ের নিয়মিত কমিটি গঠনের জন্য কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আঃ হামিদ ৮ সেপ্টেম্বর নির্বাচনী তপশীল ঘোষনা করেন। নিয়মানুযায়ী নির্বাচনী তপশীল অভিভাবকদের জানানোর জন্য নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। তপশীল ঘোষনার পরের দিন তিনিসহ অন্যান্য অভিভাবকরা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে মনোনয়নপত্র কিনতে গেলে তাদের কাছে মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়নি। বরং তাদেরকে প্রধান শিক্ষকের দপ্তর থেকে মনোনয়নপত্র কিনতে পরামর্শ দেয়া হয়। সে মোতাবেক বিদ্যালয়ে যেয়ে অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষককে অনুপস্থিত দেখতে পান। সহকারী প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেনের কাছে মনোনয়নপত্র কিনতে চাইলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন,বাইরে কারো কাছে মনোনয়নপত্র বিক্রি করা নিষেদ আছে। পরে সেল ফোনে প্রধান শিক্ষকের কাছে মনোনয়ন পত্র কেনার আগ্রহ দেখালে তিনিও সাফ জানিয়ে দেন,মনোনয়ন পত্র তিনি তাদের কাছে বিক্রি করতে পারবেননা। এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। এমতাবস্থায যুগিখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রবিউল ইসলামের নেতর্ৃৃৃত্বে ৪০/৫০ জন সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিযে তাদেরকে ভয়ভীতি দেখাতে বিদ্যালয চত্বরে মহড়া দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর ওহাব আক্ষেপ করে জানান, গনতন্ত্রের জয়জয়কার এ যুগে তিনি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান। অথচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও এলাকার সন্ত্রাসীরা তাকে গনতান্ত্রিক এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা চালাচ্ছে। তিনি এর প্রতিকারে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে কথা বলতে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেনের সেল ফোনে কয়েকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র দত্তের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির আহবায়ক আব্দুল মালেক বলেন,যেখানে যেখানে স্বাক্ষরের প্রয়োজন তিনি তা করেছেন। মনোনয়ন পত্র বিক্রির অনিয়মের বিষয়ে তিনি কিছু জানেননা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ জানান,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বলে দেয়া হয়েছে,তপশীল স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করতে। যদি কোন অভিভাবক নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র কিনতে না পারেন, সেটি হবে অগনতান্ত্রিক।






মন্তব্য চালু নেই