মেইন ম্যেনু

ফলো আপ :

এতিম ছাত্রকে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে পিটানো সেই শিক্ষক ১ সপ্তাহেও গ্রেফতার হয়নি

ঘটনার ১ সপ্তাহ পার হলে ও লোহার শিকল দিয়ে বেধে এতিম ছাত্রকে পিটানো সেই শিক্ষক ও ছাত্রকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ ।
উল্লেখ্য , গত ২০ মে সাতক্ষীরা শহরস্থ পলাশপোল নব জীবন ইনষ্টিটিউটের পার্শ্বে অবস্থিত একটি হাফিজিয়া ও এতিম খানার শিক্ষক হাফেজ ইব্রাহিম সদর থানার বাটকেখালী এলাকার এতিম ছাত্র সুমন হোসেন (৯) কে শিকল দিয়ে বেধে বেদম প্রহার করে। সুমন এতে মারাত্মক আহত হয়। তিন দিন বেধে রাখার পর ২৩ মে তার নানীর কাছে পৌছে দেয়। তার নানী রেহেনা পারভীন ঐ দিন দুপুরে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজহার দায়ের করেন।

থানার সাব ইনেস্পকটার মোজাফফর হোসেন জানান, মামলা টি তদন্তাধীন রয়েছে। তবে আসামী দের গ্রেফতার করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। থানায় মামলা করার পর আসামীরা পলাতক রয়েছে। তিনি আরো জানান সুমন ঐ এতিম খানার ছাত্র ছিল না। অন্য এতিম খানা থেকে এসে এখানে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করছিল। হাফিজিয়া ও এতিম খানার শিক্ষক ইব্রাহিম তাকে বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা নিরিক্ষা করার সময় তাকে একটি সূরা মুখস্ত পড়ে শোনাতে বলেন। কিন্ত সুমন তাতে ব্যার্থ হয়। এবং আবোল তাবোল কথা বলতে থাকে। এক পর্যায়ে ক্ষীপ্ত হয়ে ঐ শিক্ষক আর একজন ছাত্র ইব্রাহিম হোসেনের সাহায্য নিয়ে লোহার শিকল দিয়ে বেধে ফেলে এবং একটি বেতের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন।

দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমল মতি ছাত্র/ ছাত্রীদের কোন প্রকার শারিরিক ভাবে মারধর করা যাবে না মর্মে আইন থাকলে ও ঐ হাফিজিয়া ও এতিম খানায় সে আইন মানা হয় না । তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো জানান ঐ ছেলেটির আচার আচরণ ভাল না। তবে তাকে ঐ ভাবে পিটানো মাদ্রাসা শিক্ষকের উচিত হয়নি। আসামীদের অচিরেই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা বলে তিনি আশ্বাষ দেন।

আরো পড়ুন :

এতিম ছাত্রকে লোহার শিকল দিয়ে বেধে পিটিয়েছে শিক্ষক : থানায় অভিযোগ দায়ের






মন্তব্য চালু নেই