যুদ্ধবিমানের চেয়ে দ্রুত উপরে উঠছিল কিউজেড-৮৫০১
ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে এয়ার এশিয়ার ফ্লাইট কিউজেড৮৫০১ বিমানটি দ্রুত গতিতে উপরে উঠেছিল।
মঙ্গলবার সংসদীয় কমিটির শুনানিতে ইন্দোনেশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ইগনাসিউস জোনান এ তথ্য জানান।
গত ২৮ ডিসেম্বর এয়ার এশিয়ার কিউজেড-৮৫০১ ফ্লাইট ইন্দোনেশিয়া থেকে ১৬২ জন যাত্রী নিয়ে সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। পাইলট ও ক্রুসহ মোট ১৬২ আরোহী ছিলেন বিমানটিতে। জাভা সাগর থেকে কয়েকজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের মৃতদেহ এখনও জাভা সাগরে ধ্বংসস্তুপের আশেপাশে খোঁজ করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে বিমানটির ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়।
এয়ার এশিয়ার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংসদীয় কমিটি গঠন করেছে ইন্দোনেশিয়া। আগামি ২৮ জানুয়ারে কমিটির প্রতিবেদন দেয়ার কথা।
সংসদীয় কমিটিকে ইগনাসিউস জোনান জানান, দুর্ঘটনার আগে বিমানটি মিনিটে ৬ হাজার ফিট উপরে উঠছিল। কোন যাত্রীবাহি বিমান কিংবা কোন যুদ্ধবিমানও এতো দ্রুত উপরে ওঠে না।
তিনি বলেন, বানিজ্যিক বিমানগুলির গড় গতি মিনিটে এক হাজার থেকে দুই হাজার ফিট। কারণ এগুলো দ্রুত ওড়ার নকশা করে এগুলো তৈরী করা হয় না।
রাডার থেকে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘শেষ মিনিটে বিমানটি সাধারণ গতির চেয়ে দ্রুত উপরে উঠছিল…তখনই বিধ্বস্ত হয়।’
মন্তব্য চালু নেই