মেইন ম্যেনু

সারাদিন ঢাবিতে ছাত্রলীগের জালভোট উৎসব

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এককভাবে কেন্দ্রগুলোতে নিয়ন্ত্রণ করেছে ছাত্রলীগ। সেই সঙ্গে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে গণহারে সিল মারার। এছাড়া অভিযোগ আছে- এখানকার কেন্দ্রগুলো থেকে পিটিয়ে বের করা হয়েছে বিএনপি সমর্থিত পোলিং এজেন্টদের।

ঢাবির অর্ন্তভুক্ত ল্যাবরেটরী স্কুলে সকাল থেকে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত ছিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। এ কেন্দ্রে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হলেও বেলা তিনটার পর থেকে ভোটারদের উপস্থিতি একেবারে কমে যায়। বেলা তিনটার পর থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গণহারে ভোট দিয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, ঢাবির কার্জন হলে সকাল থেকেই শুরু হয় জালভোট উৎসব। এখানে সকাল ১০টার দিকে একবার ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ ঢুকে গণহারে ভোট দিয়ে যায়। এরপর নির্বাচন কমিশনের কর্তাব্যক্তিরা আসলে তারা সেখান থেকে চলে যায়। বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে এখানে ভোট দিতে আসেন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ। তিনি তার দলবল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন এবং ভোট দিয়ে চলে যান। এরপর বেলা ২টার দিকে আবারো ছাত্রলীগের কর্মীরা আরেক দফায় জালভোটের উৎসব চালায়।

এছাড়াও কার্জন হল ক্যাফেটেরিয়ায় ছাত্রলীগ কর্তৃক বিতাড়িত হয়েছেন বিএনপির কয়েকজন পোলিং এজেন্ট। এখানে ভোট দিতে আসলে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয় শহীদুল্লাহ হল ও অমর একুশে হলের পেশ ইমামকে।

সকালে ঢাবির কাজী মোতাহার আলী ভবনে ছাত্রলীগের কর্মীরা বিএনপির একজন এজেন্টকে পিটিয়ে বের করে দেয়। বেলা ২টার পর থেকে এখানেও চলেছে জালভোটের উৎসব।






মন্তব্য চালু নেই