মেইন ম্যেনু

রাষ্ট্রপতির সুরক্ষায় হনুমান ভাড়া

লোকালয়ে দলবেঁধে হাতি বা বাঁদরের আক্রমণ নতুন কোনো ঘটনা নয়। আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় এমন ঘটনা অতীতে ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে এদের ঠেকাতে ব্যবস্থা নিয়েছে। শহরের ক্ষেত্রে বাঁদরের বাদরামি রুখতে স্থানীয় প্রশাসনকে নিতে হয়েছে উদ্যোগ। তবে এবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মথুরায়। আসলে ঘটেছে না বলে বলা যায়, ঘটতে যাতে না পারে এ জন্য আগে থেকেই বাঁদর শায়েস্তা করতে সেখানকার প্রশাসন উদ্যোগ নিয়েছে। ভাড়া করা হয়েছে ১০ সদস্যের হনুমান বাহিনী।

পাঠকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী এমন ঘটতে যাচ্ছে যে কারণে এই উদ্যোগ? আসল ঘটনা হলো, ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি কদিন পর হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান মথুরা-বৃন্দাবন সফর করতে যাবেন। সে সময় তার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলে সেখানকার পুলিশ মনে করছে। পাঠক ভাববেন না, পুলিশ এ জন্য কোনো জঙ্গী বাহিনী বা সন্ত্রাসীর দ্বারা এ আশঙ্কা করছেন। তাদের ধারণা বাঁদরের কারণেই রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। কারণ মথুরা, বৃন্দাবনের স্থানীয় মানুষ এমনিতেই বাঁদরের বাদরামিতে নাজেহাল। আর তাই আগেভাগেই এ ব্যবস্থা।

বাঁদরদের দূরে রাখতে হনুমানদের পারদর্শিতা রয়েছে, এই কারণেই পাঁচ দিনের জন্য ভাড়া করা হয়েছে ওই হনুমান বাহিনী। ভাড়া প্রতিদিন ১০০০ রুপি প্রতি সদস্যের জন্য। পুলিশ সদস্যরা ইতিমধ্যেই বাঁদর তাড়াতে হনুমানের গলায় শিকল পড়িয়ে রাস্তায় ঘুরছেনও, অনেকটা বম্ব স্কোয়াডের কুকুররা যেমন ভিভিআইপি আসার আগে বিস্ফোরক খুঁজে বেড়ায়।

অন্যদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, প্রশাসন যদি হনুমান দিয়ে বাঁদর তাড়াতেই পারে, তাহলে সেটা সব সময় করা হয় না কেন? আমরা তো রোজ এই বাঁদরদের জ্বালায় অতিষ্ট হই। আমাদের ঘরের দরজা জানালা সব বন্ধ করে রাখতে হয়।

তথ্যসূত্র : বিবিসি বাংলা।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই