মেইন ম্যেনু

বয়স ভিন্ন স্বপ্ন এক

বিশ্বকাপের কনিষ্ঠ আর বয়োজ্যেষ্ঠ

আর দুইবার সূর্য উঠলেই আসবে সেই মহেন্দ্রক্ষণ। বর্নাঢ্য উদ্বোধনীর পর মাঠে গড়াবে বিশ্বের সেরা ৭৩৬ ফুটবলারের আসর। এই নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই ফুটবলপ্রেমীদের। তার চেয়ে অনেক বেশী আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন ক্যামেরুনের এক তরুণ। আর তিনি হলেন ফ্যাব্রিক ওলিগা। এবারের বিশ্বকাপের আসরে সবচেয়ে কমবয়সী ফুটবলার সে। বয়স মাত্র আঠার। কিন্তু স্বপ্ন দেখছেন ব্রাজিলে মাঠ মাতানোর। বিশ্বকাপের আসর তার কাছে স্বপ্নের মতই। বয়সটা প্রায় তিনগুন হলেও স্বপ্নটা একই রকম বিশ্বকাপের রয়োজ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় কলম্বিয়ান গোলরক্ষক ফরিদ মন্দ্রাগনের।

ফ্যাব্রিক ওলিগা বেড়ে উঠেছে স্যামুয়েল ইতোর গড়া ফুটবল ফাউন্ডেশনে। ক্যামেরুনের অর্থনৈতিক রাজধানী দোউয়ালায় জন্ম নেয়া এই তরুণ তারকার কাছে ইতো স্বপ্নের নায়ক। আর তার সঙ্গে বিশ্বকাপের মাঠে খেলা তার কাছে স্বপ্নে মতোই। এ বিষয়ে ওলিগা বলেছিল, ‘ক্যামেরুন দলে ডাক পাওয়া আমার কাছে জীবন্ত স্বপ্নের মতই।’

অদম্য সিংহদের হয়ে দারুণ খেলবেন তিনি। ক্ষুদে এই ফুটবলারের সাম্প্রতিক নৈপুণ্য তাই বলে। স্পেনের মালাগা ক্লাবের হয়ে খেলে সে। একই সাথে ব্রাজিলে ধার হিসেবে খেলেছেন জুলতে ওয়েরেজেম ক্লাবের হয়েও। তাই স্বপ্নের বিশ্বকাপে সেরাটা খেলতে চাইবে এই তরুণ স্ট্রাইকার।

ওলিগা থেকে বয়সটা প্রায় তিনগুন কলম্বিয়ান গোলরক্ষক ফরিদ মন্দ্রাগনের। আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড়ের রেকর্ডও গড়তে যাচ্ছেন কলম্বিয়ান এই ‘ওল্ড গার্ড’। বিশ্বকাপের খেলা চলাকালে ৪৩ বছরে পা দিবেন তিনি।

১৬ বছর পর বাছাই পর্বে কলম্বিয়াকে বিশ্বকাপে উত্তরণের পথে অনবদ্য অবদান রাখা গোলরক্ষক ডেভিড ওসপিনার বিকল্প হিসেবে মন্দ্রাগন মাঠে নামলেই বিশ্ববাসী দেখবেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বুড়ো ফুটবলারটিকে! অবশ্য দলে আসার পর থেকে তার অসাধারণ নৈপুণ্যের জন্য মাঠে নেমেছেন তিনটি ম্যাচে।

বয়স তিনগুন হলেও স্বপ্নটা কিন্তু ওলিগার মত একই এই বয়োজ্যেষ্ঠ ফুটবলারের। আর তা হল দেশের জন্য সবটুকু ঢেলে দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনা। এই বয়সেও তরুণ্যের রহস্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি স্বাস্থ্যকর খাবার খাই, খুব সাধারণ জীবন কাটাই। কঠোর অনুশীলন করি। আর সবকিছুর উর্ধ্বে ফুটবলের প্রতি ভালবাসা ও আবেগই এতদূর নিয়ে এসেছে আমাকে।’






মন্তব্য চালু নেই