মেইন ম্যেনু

নিজস্ব আইসিসি গঠনের হুমকি ভারতের

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) দ্বিতীয় আইসিসি গঠনের হুমকিতেই নাকি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড রাজি হয়েছিল ‘বিগ থ্রি’ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে। বিতর্কিত সেই অর্থ ভাগাভাগির নতুন নিয়ম মানতে না চাইলে আবারও সমান্তরালভাবে নিজস্ব আইসিসি গঠনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে ভারত। এমনটাই হুমকি দিয়েছেন বিসিসিআই সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় প্যাটেল।

রোববার হায়দারাবাদে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলেনে সঞ্জয় প্যাটেল বলেন, ‘অনেক মিডিয়ার সমালোচনার শিকার হয়েছি আমরা। তাদের অনেকেই আমাদের সঙ্গে একমত নয় কিন্তু আমরা তাদের বলতে চাই যে, ভারত তার যথাযোগ্য পাওনা এবং সম্মান পাচ্ছে না। আর এই না পাওয়ার কারণেই এক প্রকার বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় আইসিসি গঠন করতে হতে পারে ভারতকে।’

২৭ জুন থেকে নতুন কাঠামোয় কাজ শুরু করবে আইসিসি। আর সেই সময় থেকেই আইসিসিতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করবে ভারত। অর্থনৈতিক সুবিধাও অন্যসব দল থেকে বেশি পাবে ক্রিকেটের অভিজাত তিন দেশ (বিগ থ্রি)। আর যেহেতু ক্রিকেটে ভারতের আয় হবে সবচেয়ে বেশি তাই তারাই সব থেকে বেশি অর্থ পাবে আইসিসি থেকে। অথাৎ আইসিসির মোট আয়ের অধিকাংশই চলে যাবে ভারত, অস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যান্ডের হাতে।

তবে এ নিয়ে বিতর্কও হয়েছে অনেক। নতুন এই পদ্ধতিতে কতটা নৈতিকতার ছোঁয়া আছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার। তাই বিরোধীদের আইসিসির কাঠামো বদলে তাদের সেই শীর্ষ স্থানীয় ভূমিকা বদলের কোনরকম চেষ্টার আগেই বিরোধীদের সতর্ক করে দিলেন সঞ্জয় প্যাটেল। আর কথা বললেন নতুন এই তত্ত্বের যুক্তিকতা নিয়েও।

তিনি আরও বলেন, ‘ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া আমাদের সঙ্গে রাজি হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে আগামী ২৭ জুন থেকে পুরাতন কাঠামোর জায়গায় নতুন কাঠামো স্থানান্তরিত করা হবে। আমি সবিনয়ে বলতে চাই নতুন এই নীতিমালায় অন্য দশ সদস্যও স্বাক্ষর করেছে।’

‘চলতি মাসের শেষের দিকে ভারত আইসিসির নেতৃত্ব গ্রহণ করবে। শ্রীনিবাসন বিদায় নিচ্ছেন। আমরা দুজনেই এরপর মেলবোর্ন যাচ্ছি। গত চারমাসে আমরা আইসিসির অন্য সদস্যদের নিয়ে এই বিষয়টি চূড়ান্ত করার চেষ্টা করেছি এবং তাদের নতুন নীতিমালা সম্পর্কে বোঝাতে পেরেছি। আগামী বছরগুলোতে আইসিসি যে নতুন অর্থনৈতিক মডেলের ওপর নির্ভর করে চলবে তা বোঝাতে সক্ষম হয়েছি।’

‘ভারতের উচিৎ আইসিসির নেতৃত্ব দেয়া আর কারণটাও সবার জানা। আইসিসির মোট আয়ের প্রায় ৬৮ থেকে ৭২ শতাংশ ভারতের হাত ধরে আসে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা এর মাত্র তিন থেকে চার শতাংশই পাচ্ছি।’






মন্তব্য চালু নেই