মেইন ম্যেনু

দাউদের হদিস পেতে গোয়েন্দা-নজরদারি মেয়ে-জামাই, বাকিদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে!

দিলীপ মজুমদার (কলকাতা): দাউদ ইব্রাহিমের বোন হাসিনা পার্কারের মৃত্যু সমস্যায় ফেলেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে। দাউদের হদিশ পেতে তাঁর ওপর নজর রাখছিলেন গোয়েন্দারা ।এবার মাফিয়া ডনের ঘনিষ্ঠদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নজরদারি চালাতে পারেন তাঁরা। দাউদের মেয়ে মাহরুখ, মেয়েজামাই জুনেইদ মিঁয়াদাদ ও ওই পরিবারের বাকিরা অনলাইনে কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, কী মেসেজ পাঠাচ্ছেন, সবই তাঁদের নজরদারির আওতায় থাকছে।প্রসঙ্গত, দাউদের মেয়ে থাকেন লাহোরে, তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে প্রাক্তন ডাকসাইটে পাক ক্রিকেটার জাভেজ মিঁয়াদাদের ছেলে জুনেইদের।২০০৫ সালে তাঁদের বিয়ে হয়।

গুপ্তচর সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, মাহরুখ ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্ট চালান মাহরুখ জে নাম দিয়ে।জুনেইদও নিয়মিত নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে আপডেট করেন মিড ডে পত্রিকা-কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক গোয়েন্দা অফিসার বলেছেন, দাউদ পরিবারের বাকি সদস্যরাও।ছদ্মনামে ফেসবুকে নিয়মিত প্রোফাইল আপডেট করেন।ওদের সবাই আমাদের রাডারে রয়েছেন।

কিন্তু ফেসবুকের সূত্র ধরে দাউদের ব্যাপারে খবরাখবর পাওয়ার সুযোগ কতটা? জানা যাচ্ছে, ২০১০ সালে মাহরুখের ফেসবুকে পাঠানো পোস্ট থেকেই দাউদের গতিবিধি টের পাওয়া গিয়েছিল।দাউদ যে করাচিতে সে সময় ছিলেন, সেটা মাহরুখের ওই পোস্ট থেকেই পরে বুঝতে পারেন গোয়েন্দারা।সেই পোস্টে বলা হয়েছিল, মম, ড্যাডকে মিস করছি।জুনেইদ, রিনজ, মঈন, প্রত্যেকেই এখন করাচিতে।

২০১০-এর আগে পর্যন্ত গোটা দাউদ পরিবার ফেসবুকে তুমুল সক্রিয় ছিল।নিজেদের মধ্যে মেসেজ, ছবি আদানপ্রদান করতেন ঘনঘন।কিন্তু মিডিয়ায় এ নিয়ে চর্চা শুরু হতেই তাঁরা সাবধান হয়ে যান।প্রাইভেসি সেটিং বদলে ফেলেন।এক সপ্তাহও লাগেনি, ডি পরিবারের সকলে নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইল মুছে ফেলেন।বছরখানেক বাদে জুনেইদ ফেসবুকে ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ শুরু করেন।তবে কিছু পারিবারিক ছবি মুছে ফেলেন।মাহরুখ, জুনেইদের একমাত্র সন্তান মঈনও নিজেকে গুটিয়ে ফেলেছিলেন।গা ঢাকা দিয়েছিলেন।কিন্তু সোস্যাল মিডিয়ার টান ফের টেনে আনে তাঁকে।তিনি মাহরুখ জে নামের আড়ালে ফেসবুকে নতুন করে ফেরেন। তবে পুরানো অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সাবধান হয়ে যান তিনি।স্বামী, ছেলের একটিমাত্র ছবি পোস্ট করেন ফেসবুকে, ।যা ৬৩টি লাইক হয়েছে। প্রচুর কমেন্টসও এসেছে।






মন্তব্য চালু নেই