মেইন ম্যেনু

চীনের পছন্দে লামই হলো হংকংয়ের নেতা

চমকপ্রদ কিছু ঘটলো না হংকংয়ে, চীনের পছন্দের ক্যারি লামই দেশটির প্রধান নির্বাহী নির্বাচিত হয়েছেন। নবনির্বাচিত প্রথম নারী নেতা নির্বাচিত হয়ে দেশে বিভক্তি দূর করার অঙ্গীকার করেছেন। উল্লেখ্য, চীন থেকে সম্পূর্ন স্বাধীনতা পেতে ২০১৪ সাল থেকেই আন্দোলন করে আসছে জনগণ।

স্থানীয় সময় রোববার (২৬ মার্চ) সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হন চীনপন্থী এ নেতা। ১ জুলাইয়ে হংকংয়ের বর্তমান প্রধান নির্বাহী লেয়ুং চুং-ইং এর স্থলাভিষিক্ত হবেন লাম।

নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি বলেন, ‘হংকং আমার জন্মভূমি, যেখানে মারাত্মক বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। আমার মূল লক্ষ্য এই বিভেদ মিটিয়ে ফেলা এবং জনগণের মন থেকে হতাশা কমিয়ে আনা। সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আমাদের সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে চাই।’

বার্তাসংস্থা এপি’র খবরে বলা হয়, বেইজিংয়ের সমর্থিত লাম নির্বাচিত হবেন এটা আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল। তাছাড়া, চীন শাসিত এ বাণিজ্য নগরীটির মানুষের ভোটেও লাম নির্বাচিত হননি। বরং রোববার ১২০০ সদস্যের একটি ‘নির্বাচন কমিটি’ যাদের বেশিরভাগই বেইজিংপন্থি।

মোট ৭৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হওয়া লাম প্রথম কোনও নারী হিসাবে হংকংয়ের নেতৃত্বে এলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হংকংয়ের সাবেক অর্থমন্ত্রী জন সাং ৩৬৫ ভোট পেয়েছেন। যদিও জনমত জরিপগুলোতে সাং এগিয়ে ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ হংকংকে ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তখন থেকে ‘এক দেশে দুই নীতি’ এ ভাবেই চলিছে হংকং।

২০১৪ সালে হংকংয়ের বিশেষ করে ছাত্ররা চীনা কর্তৃত্ব তুলে নিয়ে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন শুরু করে। প্রায় তিনমাস ধরে চলা ওই আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। রোববারও গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভকারীরা ভোট কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ করে।

বিক্ষোভকারীদের আটকাতে ভোট কেন্দ্রের চারপাশে বিপুল পরিমান পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।






মন্তব্য চালু নেই