মেইন ম্যেনু

আতিয়া মহলের প্রতিটি গেটে শক্তিশালী বিস্ফোরক!

সিলেট মহানগরের শিববাড়ির ‘আতিয়া মহল’-এর জঙ্গি আস্তানায় সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডোদের চালানো অভিযান ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু আতিয়া মহলে প্রবেশের প্রতিটি গেটে শক্তিশালী বিস্ফোরক লাগিয়ে রেখেছে জঙ্গিরা। এছাড়া ভবনের নিচে বাঙ্কারে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও গোলাবারুদসহ বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে অবস্থান করছে তারা।

যার ফলে ভবনের ভিতরে ঢুকতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। জঙ্গিরা এখন পর্যন্ত ১০টি গ্রেনেড ও ৫ থেকে ৬টি শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

এছাড়া সিলেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান প্রতিহত করতে জঙ্গিরা ভয়াবহ কৌশল নিয়েছে। একদল জঙ্গি আস্তানায়, আরেকদল বাইরে অবস্থান নিয়েছে। ইতোমধ্যে জঙ্গিরা উতসুক জনতার মধ্যে ঢুকে দুই দফা হামলা চালিয়েছে।

পুরো ভবন সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ঘিরে রেখেছে। অন্যদিকে, ভবনের চারপাশ এলাকায় আরেক স্তরে সেনাবাহিনী ঘিরে রেখেছে। আতিয়া মহল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে পুরো এলাকাটি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব-পুলিশ।

জঙ্গিদের পরিকল্পনা ছিল সোয়াতসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আক্রমণ করলে তারা বাইরে থেকে আক্রমণ করত। এই এলাকার আশপাশে আরো জঙ্গিদের অবস্থান রয়েছে বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত হয়েছে।

এদিকে কখন এ অভিযান শেষ হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি।

লোকালয়ে জঙ্গিদের এমন শক্তিশালী অবস্থান ভাবিয়ে তুলেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। জঙ্গিদের মাইকে আত্মসমর্পণের আহবান জানালেও তারা আত্মসমর্পণ করেনি।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশিদুল হাসান জানান, সেনা কমাণ্ডোরা চেষ্টা করছেন জঙ্গিদের জীবিত অবস্থায় গ্রেপ্তার করতে।

জঙ্গিরা বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ জমা করেছিল। তারা বিস্ফোরক দিয়ে কমান্ডোদের প্রবেশে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছে। এজন্য অপারেশনটি অনেক সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হচ্ছে। জঙ্গিদের জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তাই অনেক সময় লাগছে। ধারণা করা হচ্ছে আতিয়া মহলের নিচতলার বাঙ্কারে ৫/৭ জন জঙ্গি থাকতে পারে। অভিযানে অংশ নেওয়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই