‘আমি যুবরাজ, যা ইচ্ছে তাই করবো’

পুরুষ এক পরিচারিকার সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন এক সৌদি যুবরাজ। এছাড়াও ওই যুবরাজের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ কোকেন সেবন ও এক নারীকে হত্যার অভিযোগেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি ডেইলি মেইল নামের একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ওই যুবরাজ সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশন করায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচিত হচ্ছে।
লস অ্যাঞ্জেলসের আদালতের করা তদন্তে দেখা যায়, সৌদি আরবের সাবেক বাদশা আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল সাউদের সন্তান হলেন এই অভিযুক্ত যুবরাজ মাজেদ বিন আবদুল্লাহ বিন আব্দুলআজিজ। লস অ্যাঞ্জেলসে ৩৭ মিলিয়ন ডলারে কেনা বাড়িটিকে তিনি ব্যবহার করতেন বিভিন্ন সময় পার্টি দেবার জন্য। আদালতের কাছে নির্যাতনের শিকার হওয়া তিন নারী ইতোমধ্যে যুবরাজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে।
অভিযোগকারী নারীদের মধ্যে একজন জানান, তিনি পার্টিতে যেতে অস্বীকৃতি জানালে যুবরাজ তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করতে শুরু করেন। যখন সকলে যুবরাজকে থামতে বলেন তখন যুবরাজ বলেন, ‘আমি একজন যুবরাজ, আমার যা ইচ্ছে আমি তাই করতে পারি। তুমি কিছুই না।’ ওই তিন নারী একই সঙ্গে আদালতকে আরও জানান যে, তাদের সামনেই যুবরাজ এক পুরুষ পরিচারিকাকে যৌন হয়রানি করে।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে এক গৃহপরিচারিকাসহ অপর চারজনকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে লস অ্যাঞ্জেলসের জেলা আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ গঠণের ভিত্তিতে গত ২০ অক্টোবর ছিল শুনানির দিন। কিন্তু পরবর্তীতে আরও তদন্তের জন্য মামলাটি উচ্চআদালতে স্থানান্তর করা হয়। এরপরই মূলত আদালতের পক্ষ থেকে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে তথ্যাদি অনুসন্ধানে নির্দেশ দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, যুবরাজের বিরুদ্ধে মামলা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যুবরাজকে জরিমানাসহ কারাভোগ করতে হতে পারে।
মন্তব্য চালু নেই