মেইন ম্যেনু

হোয়াইট হাউস এলাকা থেকে বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসসংলগ্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসের ভেতর থেকে ছুরিসহ যে ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল, তার গাড়ি থেকে এগুলো জব্দ করা হয়। সোমবার মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

 

মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে ৮০০ রাউন্ড গোলাবারুদ, একটি চাপাতি ও দুটি কুড়াল রয়েছে। হোয়াইট হাউসের ভেতরে ঢোকার সময় ৪২ বছর বয়স্ক ওমর গঞ্জালেসকে শুক্রবার সন্ধ্যায় আটক করে সিক্রেট সার্ভিস অফিসাররা।

 

কর্মকর্তারা জানান, গঞ্জালেসকে গত জুলাইয়ে দুটি রাইফেলসহ আটক করেছিল পুলিশ। এ ছাড়া আগস্টে চাপাতিসহ তাকে হোয়াইট হাউসের পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়।

 

সিক্রেট সার্ভিস জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় ছুরি নিয়ে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তার জন্য তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় এবং ভেতরে প্রবেশের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বলা হয়।

 

ইরাক যুদ্ধে যোগ দেওয়া সামরিক বাহিনীর অভিজ্ঞ সেনাসদস্য গঞ্জালেসের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক মারণাস্ত্রসহ অবৈধভাবে হোয়াইট হাউসের ভেতরে ঢোকার দায়ে মামলা করা হবে।
সোমবার আদালতে তার শুনানির সময় ফেডারেল আইনজীবীরা জানান, চাপাতি হাতে হোয়াইট হাউসসংলগ্ন এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে শুধু বাধা দেওয়া হয়েছে, গ্রেফতার করা হয়নি। তবে অক্টোবরে আগামী শুনানির আগ পর্যন্ত তাকে জেলে থাকার নির্দেশ দেন আদালত।
যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ডেভিড মুড বলেন, প্রেসিডেন্টের কাছে বিপজ্জনক অস্ত্রসহ অনুপ্রবেশের দায়ে গঞ্জালেস অভিযুক্ত। তাই বিচারক তাকে জেলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

সিসি ক্যামেরায় ধরা ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, গঞ্জালেস ছুরিসহ বাসভবনের লনে হেঁটে যাচ্ছেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। পরে তাকে সেখান থেকে নিয়ে যাচ্ছেন তারা।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গঞ্জালেস ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইরাকে স্নাইপার যোদ্ধা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি বর্তমানে মানসিক রোগে ভুগছেন।

 
তথ্যসূত্র : বিবিসি।






মন্তব্য চালু নেই