মেইন ম্যেনু

হাসপাতালে অপারেশনের পর উধাও শিশুর কিডনি!

অপারেশনের পর থেকেই যন্ত্রণায় ছটফট করছে বছর ছয়ের মেয়েটি। পরের দিনই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তার স্ক্যান করানো হয়। স্ক্যানের যে রিপোর্ট এসেছে, তা ভয়াবহ। শরীর থেকে নিখোঁজ দুটি কিডনিই। অপারেশনের সময় ডাক্তাররাই মেয়ের কিডনি দুটি সরিয়ে নিয়েছেন বলে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন বাবা পবন কুমার।কোনওসাধারণহাসপাতালনয়, অভিযোগ দিল্লির AIIMS-এরবিরুদ্ধে।

ছ বছর বয়সেই ছোট্ট মেয়েটির কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। মেয়েকে যেকোনও মতে সুস্থ করে তুলতে নিজের রাজ্যের হাসপাতালের ওপর আস্থা রাখেননি বাবা পবন কুমার। গত বছরই মেয়েকে নিয়ে উত্তরপ্রদেশের বরেলি থেকে দিল্লি এসেছেন তিনি। ভেবেছিলেন AIIMS-এর মতো হাসপাতালের পরিষেবায় সুস্থ হয়ে উঠবে তার কন্যা। সেখানেই মেয়েটির ডায়ালিসিস চলছিল। পিডিয়াট্রিক বিভাগের

এক সিনিয়র সার্জেন পবনকে জানান, তাঁর মেয়ের বাঁদিকের কিডনিটি অপারেশন করে বাদ দিতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ মেনেই হয় অপারেশন।

অপারেশনের পরও যন্ত্রণা শুরু হলে, আবার স্ক্যান করানো হয়। রিপোর্টে কোনও কিডনিই দেখতে পাওয়া যায়নি। পবন কুমার জানিয়েছেন, ‘আমি ডাক্তারকে একথা জানিয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করেছিলাম,

তিনি আমার প্রশ্নের যথাযথ কোনও উত্তর দিতে পারেননি। AIIMS কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও বিফল হওয়ায়, আমি পুলিশের কাছে যাই।’

অপারেশনের আগে AIIMS-এ শিশুটির যে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হয়েছিল সেই রিপোর্ট বলছে, মেয়েটির ডান দিকের কিডনিটি একেবারে ভালো অবস্থায় ছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর এই ঘটনার

তদন্তে এক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করেছেন AIIMS কর্তৃপক্ষ।






মন্তব্য চালু নেই