মেইন ম্যেনু

স্টুডিওতে ছাত্রীকে গণধর্ষণ

স্টুডিওয় ছবি তুলতে আসা এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ভিডিও বানিয়ে ফের তিন বছর ধরে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। শেষমেশ ছাত্রী বাধ্য হয়ে তার পরিবারকে ঘটনার কথা জানায় ও পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায়। হরিয়ানার হিসার জেলার ঋষিনগর এলাকায় ঘটেছে এই ঘটনা। পুলিশ ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে মোহিত, রমন, প্রিয়াঙ্কা ও নরেশের বিরুদ্ধে মামলায় দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। ছাত্রী অভিযোগ জানিয়ে বলেছে, ২০১১ সালে সে বিয়ে পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করে। ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য সে হিসারের ঋষিনগর এলাকার রেড স্টুডিওয় পাসপোর্ট সাইজ ছবি তুলতে যায়। সেখানেই এক মহিলার সঙ্গে তার দেখা হয়। মহিলা জানায় স্টুডিওটি তার ও সে ছাত্রীর ছবি তুলে দেবে। যুবতী জানায়, যখন সে স্টুডিওতে পৌঁছায় সেখানে নরেশ ওরফে নর্সী নামের এক যুবক আগে থেকেই বসেছিল।
এরপর রমন ও মহিলার ভাই মোহিত তাকে ভিতরে নিয়ে যায়। ছাত্রীর অভিযোগ রমেন ফটোশুট করে সেই সময় মোহিত তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করে। ছবি তোলার প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তরা জানায় সব ছবি মুছে কেবল যুবতীর পাসপোর্ট সাইজ ছবি রাখা হয়েছে। পরের দিন সে ছবি নিতে গেলে ছাত্রীকে তাঁর অশ্লীল ছবি দিয়ে বানানো একটি এমএমএস দেখানো হয়। অভিযুক্তরা তাকে জানায় সে এই ঘটনার কথা কাউকে জানালে ওই এমএমএস ইন্টারনেটে আপলোড করে দেবে এবং গ্রামের সবার কাছে পাঠিয়ে দেবে। তার পর থেকেই ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণের খেলা চলতে থাকে।
ছাত্রী এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে তার বাবা ও ভাইকে খুনের হুমকি দেয় অভিযুক্তরা। ছাত্রীর অভিযোগ অনেকবার তার বাবা ও ভাইয়ের পিছুও নেয় অভিযুক্তরা। ছাত্রী জানায় ২০১৪ সালের জুন মাসে পরীক্ষা হওয়ার পর সে হিসারে আর আসেনি। তখনো তাকে ফোন করে উত্ত্যক্ত করে অভিযুক্তরা ও তাকে বাড়ি থেকে অপহরণ করার হুমকি দেয়। এরপরই একদিন এক যুবক তার বাড়ি ঢুকে পড়ে। সেই সময় ছাত্রীর পরিজনরা প্রতিবাদ জানালে সে বাড়ির দরজা ভেঙে দেয়। এরপরই বাধ্য হয়ে ছাত্রী তার পরিবারকে সব ঘটনা জানায়। সিটি থানার পুলিশ ছাত্রীর বয়ানের ভিত্তিতে মোহিত, রমন, নরেশ ও এক মহিলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।






মন্তব্য চালু নেই