মেইন ম্যেনু

যারা ভূতকে ভয় পান না তাদের জন্য এই তিনটি স্থান !

পৃথিবীতে ভূতের কোন অস্তিত্ব নেই। তবে এ বিষয়ে অনেকেই সন্দিহান। অনেকেই ভূতের অস্তিত্বে বিশ্বাসী। যারা ভূতকে ভয় পান না বলে দাবি করেন, তারা দিল্লির এই তিনটি স্থান থেকে ঘুরে আসতে পারেন। অন্তত একবার আপনাদের সাহসের পরীক্ষা করা হয়ে যাবে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে কোন ভূতের অস্তিত্ব বিশ্বাস করি না। তবে অনেক সময় মানুষের সামনে কিছু ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি হয়। ভারতের দিল্লিতে কিছু স্থান রয়েছে, যা স্থানীয়দের কাছে ভৌতিক বলে বিবেচিত। আপনি একা যদি সেখানে ভ্রমণে যান, তাহলে অবশ্যই আপনার সাহসের কমতি আপনি নিজেই অনুভব করবেন। তবে, কখনও সেখানে একা যাবার চেষ্টা করবেন না। এই প্রতিবেদনটি আপনাকে ঐ সকল স্থানের বিষয়ে সতর্ক করার জন্য প্রকাশ করা হচ্ছে।

১. ফিরোজ শাহ্‌ কোটলা ফোর্ট:
এটা ফিরোজ শাহ তুঘলক দ্বারা 1354 সালে নির্মাণ করা হয়েছিল। এটা বর্তমানে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। প্রতি বৃহস্পতিবার স্থানীয় মানুষ এখানে মোমবাতি প্রজ্বলন করেন এবং ধূপ জ্বালায়। তারা সেখানে বাটিতে দুধ এবং শস্য দিয়ে ভোগ প্রদান করেন। যাতে সেখানে যত খারাপ প্রেতাত্মা রয়েছে, তারা যেন অবিলম্বে সে স্থান ত্যাগ করে চলে যায়। স্থানীয় লোকজনদের বিশ্বাস, এর ফলে তারা তাদের জীবনে খুশি এবং প্রফুল্ল থাকতে পারবে।

২. নিকলসনের কবর স্থান, ক্লাব রোড, সিভিল লাইনস:
নিকলসনের কবর স্থান দিল্লির সবচেয়ে প্রাচীনতম কবরস্থান। আসলে এটি সমগ্র ভারতের সবচেয়ে প্রাচীনতম কবরস্থান। বলা হয় যে, ব্রিটিশদের শাসনকালে এখানে ব্রিটিশদের কবর দেয়া হত। এখানে, কিছু অস্বাভাবিক কার্যকলাপ রেকর্ড করা হয়। যে সকল ব্রিটিশরা অসন্তুষ্ট বা অস্বাভাবিকভাবে মারা যান, তাদের এখানে কবর দেয়া হয়েছিল। তাই, এ স্থানকে নিয়ে অনেক কল্পকাহিনী পরিচালিত রয়েছে।

৩. বিদ্রোহ ঘর, কাশ্মীরি গেট:
এই গেটটি ব্রিটিশদের দ্বারা ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের নিহত কর্মকর্তাদের স্মরণে নির্মিত করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত সেখানের স্থানীয় জনগণ বিভিন্ন wriggling অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মানুষ সেখানে দেখতে পায়। অনেক মৃত্যুর রেকর্ড এবং দুর্ঘটনা , মানুষের হারিয়ে যাওয়া এই জায়গার কাছে রেকর্ড করা হয়েছে ।

এই তিনটি স্থানে কেউ একা গেলে তাদের কোন না কোন সমস্যা হয়েছে, বলে জানা গেছে। তাই, আপনিও এসকল স্থানে যাবার পূর্বে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করুন।

সূত্র: ভেগমমস।






মন্তব্য চালু নেই