মেইন ম্যেনু

যশোরের রয়েছে বিরল প্রজাতির এক প্রাণী কালোমুখো হনুমান।

যশোরের কেশবপুরে রয়েছে বিরল প্রজাতির এক প্রাণী কালোমুখো হনুমান। সারা বিশ্বে কেবল বাংলাদেশের যশোর ও ভারতের নদীয়ায় এই হনুমানের দেখা মেলে। গত কয়েকশ’ বছর যাবৎ কেশবপুর সদর ও পার্শ্ববতী এলাকার ১০-১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিরল প্রজাতির এই হনুমান বসবাস করছে। বেসরকারি সংস্থা পিসের হিসেব মতে, বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় ৪০০ হনুমান রয়েছে। কেশবপুর বাজারের সাহাপাড়া, পশু হাসপাতাল, উপজেলা অফিস, শ্রীগঞ্জ বাজার, ব্রহ্মকাঠি, রামচন্দ্রপুর প্রভৃতি এলাকা হনুমানদের বিচরণক্ষেত্র।

যশোরের কেশবপুরে রয়েছে বিরল প্রজাতির এক প্রাণী কালোমুখো হনুমান। সারা বিশ্বে কেবল বাংলাদেশের যশোর ও ভারতের নদীয়ায় এই হনুমানের দেখা মেলে। গত কয়েকশ’ বছর যাবৎ কেশবপুর সদর ও পার্শ্ববতী এলাকার ১০-১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিরল প্রজাতির এই হনুমান বসবাস করছে। বেসরকারি সংস্থা পিসের হিসেব মতে, বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় ৪০০ হনুমান রয়েছে। কেশবপুর বাজারের সাহাপাড়া, পশু হাসপাতাল, উপজেলা অফিস, শ্রীগঞ্জ বাজার, ব্রহ্মকাঠি, রামচন্দ্রপুর প্রভৃতি এলাকা হনুমানদের বিচরণক্ষেত্র। ৩০/৪০ বছর আগে প্রায় ৫ সহস্রাধিক হনুমান কেশবপুরের গ্রামাঞ্চলে গাছে, ডালে, জঙ্গলে নির্ভয়ে চলাচল করতো। কিন্তু এই সংখ্যা এখন ৪/৫ শ’তে নেমে এসেছে। বিলুপ্তির এ হার অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ থেকে এই প্রজাতি অদূর ভবিষ্যতে হারিয়ে যাবে। জানা যায়, কেশবপুরের এই কালোমুখো বা ভবঘুরে হনুমানগুলো মূলত তীব্র খাদ্যাভাবে অস্তিত্বের সংকটে রয়েছে। বেশ কিছুদিন থেকে এখানকার হনুমানগুলো দেশান্তরী হতে শুরু করেছে। হনুমান এক সময় যে পরিবেশে বাস করত, বংশ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চালাত তা এখন আর অবশিষ্ট নেই। তাই এই হনুমান খাদ্যের অভাবে জীবন বাঁচানোর তাগিদে দেশান্তরী হচ্ছে। এক সময় কালোমুখী হনুমানগুলোর জন্য এ অঞ্চলে প্রচুর ফলজ ও বনজ বৃক্ষ ছিল। প্রজননকালীন সময় এবং গর্ভকালীন আশ্রয়ের জন্য প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি প্রাচীন সমবটবৃক্ষে পরিপূর্ণ ছিল এ এলাকা। বর্তমানে মানুষের অপরিণাদর্শী কর্মকান্ডে হনুমানকুল আশ্রয়হীন ও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এতে বংশ বিস্তার হ্রাস পেতে পেতে হনুমানের সংখ্যা হাতে গোনার পর্যায়ে চলে এসেছে।






মন্তব্য চালু নেই