মেইন ম্যেনু

মুসল্লির সঙ্গে বেড়েছে ভিক্ষুকের সংখ্যাও

আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজান মাসে ইবাদত বন্দেগিতে মগ্ন থাকেন। রমজান মাসের জুমার দিনটি তাদের কাছে একটু বেশি তাৎপর্যময় হয়ে উঠে। জুমার দিনে মুসল্লিরা দলে দলে সমবেত হন মসজিদে। নামাজ আদায় করেন, জিকির আসকার ও তসবি ও তিলাওয়াতে মুখরিত হয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণ।
শুক্রবার রমজানের দ্বিতীয় জুমার দিনে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বেড়েছে মুসল্লিদের ভীড়। একই সঙ্গে বেড়েছে ভিখারির উৎপাত। রমজান মাসে ইবাদত বন্দেগির পাশাপাশি মানুষের দান-খয়রাত করার প্রবণতাও বেড়ে যায়। এসময় সবাই মুক্ত হস্তে দান করে থাকেন দরিদ্র অসহায় মানুষকে। আর এই সুযোগটি হাতছাড়া করতে চায় না ভিক্ষুকেরা। তাই মুসল্লিদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মসজিদে মসজিদে ভিক্ষুকদের উপচে পরা ভীড়।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম গিয়ে দেখা যায়, প্রধান গেটের সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ভিখারিরা। কেউ কেউ কোলে ছোট্ট বাচ্চা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নামাজ শেষ করে বের হওয়া মুসল্লিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্ট করছে তারা।
এসময় মফিজউদ্দিন নামের একজন প্রতিবন্ধী ভিখারির সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, ‘ভাই এহন যান তো। কামের সময় বিরক্ত কইরেন না।’
মসজিদের দ্বিতীয় গেটের সামনে গিয়ে দেখা যায় প্রায় গেট অবরুদ্ধ করে বসে আছে নানা বয়সী পুরুষ ও মহিলা ভিখারি। তারা এমনভাবে অবস্থান নিয়েছে যে মসল্লিরা ঠিকমত বের হতে পারছেন না।
ফকিরাপুল থেকে নামাজ পড়তে আসা জুলফিকার হোসেইন বলেন, ‘বড় জামাতে নামাজ পড়বো বলে বাইতুল মোকাররম মসজিদে নামাজ পড়তে এসেছি। শতশত মুসল্লির সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে ভালো লাগে। কিন্তু এখানে ভিক্ষুকদের ভীর অনেক। নামাজ পড়ে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। এরা পারলে পা জড়িয়ে ধরে। কাউকেই ভিক্ষা না দিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। মাঝে মাঝে এমন জটলা বেধে যায় যে পুলিশ এসে এদের সরিয়ে দিতে বাধ্য হয়।’






মন্তব্য চালু নেই