মেইন ম্যেনু

ভুল প্রমাণিত হল নারীর যৌনতা নিয়ে অতীতের সব ধারনা

সম্প্রতি ‘ক্লিনিক্যাল অ্যানাটমি’ জার্নালে প্রকাশ পেয়েছে নারীদের যৌনতা নিয়ে নানা অবাক করা তথ্য। আর এসব তথ্য প্রচলিত ধ্যান ধারনার একেবারে বিপরীত। এমন মনে হতে পারে যে, এতদিন যা জেনে এসেছেন সবই ভুল। শুধু তাই নয় নতুন গবেষণার ফলাফল নিয়ে গবেষকরা বলছেন, যৌনতা সম্পর্কে বিভিন্ন শব্দের সংজ্ঞা পরিবর্তন করতে হবে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় এ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

গবেষকরা বলেছেন, নারীদেহের যৌনঅঙ্গগুলোর কার্যকারিতা সম্পর্কে সঠিক ব্যাখ্যার অভাব রয়েছে। গবেষকরা বলছেন, যোনির মাধ্যমে নারীদের চরম সুখানুভূতির ব্যাপারটা একেবারে অসম্ভব। শুধু তাই নয়, ক্লাইটেরাসের মাধ্যমে চরম সুখানুভূতি কিংবা জি-স্পট-এর মাধ্যমেও সম্পূর্ণ যৌন সন্তুষ্টিও অসম্ভব।

নারীদের চরম সুখানুভূতির বিষয়টি তুলে ধরতে ‘ফিমেল অর্গাজম’ শব্দ মালা ব্যবহার করা উচিৎ, বলেছেন গবেষকরা। গবেষণা রিপোর্টটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, নারীর যৌনতার অঙ্গগুলোর কার্যক্রমের প্রচলিত ব্যাখ্যা সঠিক নয়। ‘ইন্টারনাল ক্লাইটোরিস’ বলে কোনো অঙ্গ নেই বলেও উঠে এসেছে এ গবেষণায়। এর কারণ হিসেবে গবেষকরা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ ক্লাইটোরিসই ‘বাহ্যিক।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, অধিকাংশ নারীই যৌনাঙ্গের মাধ্যমে স্বাভাবিক যৌনতার ক্ষেত্রে চরম সুখানুভূতি (রাগমোচন) পান না। তবে যৌনিদ্বারের মাধ্যমে কিছু নারীর রাগমোচন হয়, যাতে ভূমিকা রাখে আশপাশের অঙ্গ এবং ক্লাইটোরিস।

অনেকে এতদিন মনে করতেন, শুধু ক্লাইটোরিসের মাধ্যমে রাগমোচন সম্ভব। কিন্তু না, এটা অসম্ভব। তবে রাগমোচনে এ অঙ্গটির ভূমিকা রয়েছে। অতীতে ধারণা করা হতো জি-স্পট, ভ্যাজাইনাল বা ক্লাইটোরাল অর্গাজম- প্রত্যেকটিই ভিন্ন ধরনের যৌন সন্তুষ্টি আনে। এসবই আসলে ভুল ধারনা।

মূল গবেষণা রিপোর্টটি পড়তে এখানে ক্লিক করুণ।






মন্তব্য চালু নেই