মেইন ম্যেনু

বিক্রীত পশুর সংখ্যা জানতে চেয়েছে ডিএসসিসি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন কোরবানি পশুর হাটগুলোতে কি পরিমাণ পশু বিক্রয় করা হয়েছে তা জানতে চেয়ে ইজারাদারদেরকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

সোমবার ডিএসসিসির সম্পত্তি বিভাগ থেকে পাঠানো এ চিঠিতে দুদিনের মধ্যে করপোরেশনকে বিক্রীত পশুর তথ্য জানাতে অনুরোধ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রতিবছর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে কি পরিমাণ পশু বিক্রয় হয় তার কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। পশু বিক্রির সঠিক পরিসংখ্যান সংস্থার হাতে থাকলে হাটগুলো ইজারার ক্ষেত্রে দরপত্রের দাম মূল্যায়ন করতে সহায়ক হয়। এ জন্য সংস্থা এ উদ্যোগ নিয়েছে।’

এ বছর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন কোরবানি পশুর হাট বসেছে ১০টি। এর মধ্যে একটি কোনো নিয়মকানুন ছাড়াই টোল আদায়ের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আর উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন হাট বসেছে সাতটি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) হাটগুলো হলো মেরাদিয়া বাজার, সাদেক হোসেন খোকা খেলার মাঠ, লালবাগের মরহুম হাজী দেলোয়ার হোসেন খেলার মাঠ ও তৎসংলগ্ন এলাকা, উত্তর শাজাহানপুর রেলগেট বাজার সংলগ্ন মৈত্রী সংঘের মাঠ, ধুপখোলা ইস্ট অ্যান্ড ক্লাবের মাঠ, ব্রাদার্স ইউনিয়ন সংলগ্ন মাঠ, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন খালি জায়গা এবং কামরাঙ্গীরচর ইসলাম চেয়ারম্যানের বাড়ির মোড় থেকে বুড়িগঙ্গা বাঁধ সংলগ্ন জায়গা, ঝিকাতলা-হাজারীবাগ হাট।

সিটি করপোরেশনের অনুমোদনের বাইরে অবৈধভাবে আরো অন্তত ২০টি হাট বসেছে। তবে সংস্থার পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি হাটে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদও করা হয়।

এদিকে, এ সপ্তাহের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সাতটি কোরবানি পশুর হাটে বিক্রি করা পশুর সংখ্যা জানতে চেয়ে চিঠি দেবে সংস্থাটি। বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই