মেইন ম্যেনু

ব্যক্তিগত মতামত

বাংলাদেশী হয়ে গর্বিত দেশবাসীর কর্মে জর্জরিত

সাংবাদিক মীর্জা আমজাদ হোসেনের মৃত্যু হলে মৃত শরীরটা নিয়ে গ্রামে নিতে তখন হাত পাতা হয়েছিলো কিছু ধনী আত্মীয়দের কাছে, রাধনৈতিক দলে ঘিরে আছে কিছু স্বার্থপর সুযোগ সন্ধানীরা,ফলে সরককার যেই আসুক দেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়না, নারীদের ব্যাপারে বাধ্যতামূলক গিভ এন্ড টেক নিয়ম চাল সিনেমা জগতে। আমাদের দেশটাকে এসব থেকে যথাদ্রুত মুক্তি দিতে হবে।

আমি একটু কথার ভাবসম্প্রসারণ করতে প্রয়াস খুঁজে নিলাম। কেননা এতো মানুষের ভীরে কথা বলা বেশ যুদ্ধের ব্যপার। তার থেকে বড়ো অশান্তি লাগে কে শুনবে বা বুঝবে ভেবে। আমি প্রথমেই অন্তর থেকে ঘৃনা জানাতে তাই সে সব দাম্ভিক এবং বিশাল শক্ত খুটির মানুষদের যাদের কথা বলতে ভয়ে অন্তর শুখিয়ে যায়। আমার প্রথম কথা হলো,“ বুঝেও বুঝিনা কেননা লেজ আমার আছে এবং সেটা বাঁকা ”। বি.আর.টি.এ. লাইসেন্স অফিসে অথবা অন্য কোন যায়গাতে যেখানে গরিব দালাল দেখা যায় তাদের কথা বলছি। এরা বেশ পেরেশানির কারন তাতে দ্বিমত নাই, তবে এরা হতোদরিদ্র। অন্য পেশা পায়না বলেই আমাদের জালাতে আশে। এদের কোন কোম্পানীর মতো লগো নাই। কিছু টাকা দিলে কাজটা করে দেয়। আর রাজধানীর রা¯তায় পা দিলেই যে সব দামি লগোওয়ালা ব্র্যান্ডের সুট পড়া দালাল আছে যাদের সম¯ত সমাজ একঘরে করে রেখেছে তাদের আমরা মেনে নেই। কেনো মেনে চলি এদের? বধ্য হই। কেনো বাধ্য হই? কারন আমার আগের মানুষেরা এদের মেনে চলতে চলতে যে স্রোতের সৃষ্টি করেছে সে স্রোতে ভেসে যেতে বাধ্য হই। এই স্রোতের সৃস্টি কর্তাদের বলছি বাঁকা লেজ বিশিষ্ট মানুষ।

বিশ্বের মানচিত্রে কোন বাংলাভাষী দেশে একজন স্নাতক এম.বি.বি.এস. বা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ কার ছেলে/মেয়ে বাধ্য হয় রাস্তায় দিনের পর দিন ভবঘুরের মতো ঘুড়তে? এমন কোন দেশে একজন ইঞ্জিনিয়ার বাধ্য হয় ক্যাশিয়ারের চাকুরীতে আবেদন করতে? বর্তমানে চলছে রাত জেগে ফোনসেক্স, আর করছে স্কুলের ছাত্র/ছাত্রী। বিক্রি হয় সার্টিফিকেট। রা¯তায় পিটিয়ে নির্যাতন করা হয় যদিও সমস্ত শরীরে কোন অবৈধ কিছু না থাকে। মাঝেমধ্যে ব্রীজ ভেঙ্গে না গেলে হয়তো আমাদের ভালো লাগে না। কেউ নিজের যোগ্যতায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে গেলে শুরুর ক’দিনের মধ্যেই ফোন আসে কিছু অর্থব্যয় করেন। আর এসব ফোনের পেছনে থাকে কোন মূর্খ চাঁদাবাজ অথবা শিক্ষিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। এভাবে চলছে। সামনে এমন হতে পারে হাসপাতালে মা যখন সন্তান জন্ম দেবেন, সাথে সাথে তার জন্য কিছু ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, তা না হলে তার মা হতে স্বীকৃত পাবে না। বাইরে কেউ নির্যাতিত হলে আমরা ঘরে বসে একটু পরে ঘৃনা প্রকাশ করবো। ফেইসবুকে আপডেট দেবো। এ স্রোতের ধারায় যখন নিজেকে পড়তে হয় তখন? কষ্টে সহ্য না করতে পেয়ে বিধাতাকে দোষ দেই। ইসলামকে আজ ব্যবহার করে অর্থের পাড়ার গড়ছে কোন মাতার ভুল ফসলগুলো আর অন্ধকার গলিতে ডুবে যায় শিক্ষিত যুবো সমাজ। আমাদের মানচিত্রের মাঝেই দেখেছি অর্থের প্রয়োজনে নিজের কিডনি বিক্রি করা হয়েছে। আজও রক্ত বিক্রি করছেন শতশত মানুষ যারা অন্যের কাছে হাত পেতে নিতে লজ্জা পান। আর তাদের পাশেই কোটি টাকার কারগাড়ীটি দ্রুত বেগে চলে যায় , ভেতরে হয়তো কেউ দামি বিয়ার পান করছে অথবা লাখ টাকার আই.ফোনে স্টেটাস নিয়ে চিন্তায় আছে।

যারা একটু প্রবীণ আজও জীবিত আছেন, তারা হয়তো সাংবাদিক মীর্জা আমজাদ হোসেনের নাম শুনে থাকবেন। ঢাকা এবং বগুড়াতে যিনি দীর্ঘদিন সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু বা¯তবা এই ছিলো যে, তাঁর মৃত্যু হলে মৃতশরীরটা নিয়ে গ্রামে নিতে তখন হাত পাতা হয়েছিলো কিছু ধনী আত্মীয়দের কাছে। তাঁর নিজের ঢাকায় কোন জমি ছিলোনা তো বটেই আজও তার গ্রামের জমিটা আত্মীয়রা দখল করে আছে আর সেটানিয়ে টম-জেরির মতো খেলা চলছে থানা পর্যায়ে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর। তিনি তেমন ছিলেন, অধিকতর প্রাচুর্য তিনি অর্জন করেননি কিন্তু সমসাময়িক অনেকেই করেছেন। আমি তাদের দোষারোপ করছি না। বরং সম্মানই দিতেছি। আমাদের দেশে অভিজ্ঞ কোন সাংবাদিক চাইলেই পত্রিকার মালিক হতে পাওে না, কিন্তু  যেকোন ধনীই কালকে আশাপ্রকাশ করলেই পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকের কার্ড ঝুলাতে পারবেন। আমাদের দেশে একজন শিক্ষিত ক্যান্ডিডেটের ভাগ্য নির্ধারিত হয় ধনী সমাজসেবীরূপী কসাইদের হাতে। যতো রাধনৈতিক দল আছে এদের ঘিরে আছে স্বার্থপর সুযোগ সন্ধানীরা। আর এদের শতকরা হার স্বভাবের তারণায় বাড়তে বাড়তে স্বাভাবিক সংখ্যা অসংখ্য হয়েছে। আর তাই রাজতৈনিক দল যেটাই আসুক দেশের ক্যানসার বাড়ছেই। এদের সংখ্যার কারনে প্রকৃত দেশপ্রেমিকেরা দিনদিন হাড়িয়ে যাবে। তাই অতিদ্রত খেরাপি দিয়ে শেটাকে ফুটিয়ে শুদ্ধ করতে হবে। নতুবা দেশের ভবিষৎ ভাকতেও ভয় হয়।
যিনি শিক্ষক শুধুমাত্র তিনিই ক্লাসে শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়াতে দেয়া হোক। আর পিওন তার সততা দিয়ে খাতায় পিনদিক। পিওনটা শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়ালে তাদের শিক্ষা কি হবে? যদি পিওনটি তেমন ক্লাসপাশ না করে আছে। আমাদের দেশে স্যার  স্টিভ জব্স-এর মতো কেউ নেই কথাটা ভুল। তাদের মেধা যেভাবে চেপে রাখা হয়েছে তাতে ব্রেন থেমে ক্রিয়েটিভ নামক ব্যাপারটাই হাড়িয়ে যাবে। পরিবর্তন প্রয়োজন স্কুলের সময় নীতিতে, কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত। একটি দশ/বারো বছরের শিক্ষার্থী সকাল এগারোটায় ক্লাসে যাবে আর বের হবে সন্ধ্যার পরে..কতোটা মানসিক নির্জাতন এটা কোন সুশিক্ষিত আজও তা নিয়ে কিছু বলছেনা। সাধারন ভাবেই মানষের সিনেমার প্রতি ঝোক থাকে। কোন সমাজকে মানবতাবাদী করতে সিনেমা জগৎ যথেষ্ঠ। ভালো, সুষ্ঠ, বিনোদনধর্মী, চিšতাশীল, বা¯তববাদী , দার্শনিক ধরনের সিনেমা মানুষের চরিত্র গঠনে পথ হতে পারে। কিন্তু তাতেও শেকলে বাঁধা পড়ে আছে আমাদের দেশ। কোন ভালো সুশিক্ষিত মেয়ে যদি নাচ/ গানে পটুয়সীনি হয় তবে সাধ থাকলেও সে সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করতে পাড়ছেনা নিজেকে। কেননা সেখানে নারীদের ব্যাপারে বাধ্যতামূলক গিভ এন্ড টেক নিয়ম চালু। আর ছেলেদের ব্যাপারে বড়ো অংকের টাকা না দিলে সুযোগের আশা করা যায়না। এসব একদিনে হয়নি। দিনদিন তলানীতে কার্বন জমে আ¯তরণ জমে হেছে, এখন নিশ্বাস নিতে অনেক জ্বালাপোড়া করে বুক। এর প্রতিকার কি? আজকের এ লেখাটি যদি কাগজের চাপায় পড়ে না থাকে বা কেউ মূল্য বোঝে হয়তো কিছু হবে। নয়তো কারকে অন্য একটা সকালে অন্যএকটা ঘটনানিয়ে আমরা মাতামাতি করবো।
………………………………………………………………………………………………………………………………..
লেখক পরিচিতি: স্থপতি মীর্জা শামীম হাসান ২০১২ তে বি.এসসি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে উত্তীর্ন হন। তিনি নির্মাণের স্ট্রাকচার এবং ট্রান্সপোর্টে থিসিস করেন। পরের বছর সিলেকশনের মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারস ইস্টিটিউশন , বাংলাদেশ –এ সদস্য সম্মান লাভ করেন। কবিতা লেখা এবং পত্রপত্রিকায় লেখা নেশা। তবে নিজের স্বরচিত একটি উপন্যাসের ভিত্তিতে শর্টমুভি সুটিং নিয়ে ভাবছেন।






মন্তব্য চালু নেই