মেইন ম্যেনু

বর্ধমান-কাণ্ডের মূল হোতা ইউসুফ গ্রেফতার

অবশেষে ধরা পড়লেন বর্ধমান বিস্ফোরণ ঘটনার মূল হোতা। ঘটনার ২৫ দিনের মাথায় শিমুলিয়ার জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরের প্রধান ইউসুফকে শিলিগুরির নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ।

ইউসুফকে ধরতে রাজ্য পুলিশও সাহায্য করে এনআইএকে।

ইউসুফ উত্তরবঙ্গের কোথাও গা ঢাকা দিয়ে আছেন বলে কিছুদিন ধরে সন্দেহ করছিল ন্যাশন্যাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। উত্তরবঙ্গ থেকে আসাম বা নেপালে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি, এমনই খবর ছিল এনআইএর কাছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউসুফকে ধরতে নজরদারি বাড়িয়েছিল এনআইএ। ইউসুফকে দেশ ছেড়ে পালাতে সাহায্য করার অভিযোগে কেন্দ্রের আধাসামরিক বাহিনীর এক জওয়ানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইউসুফের মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে এনআইএ জানতে পারে গত ২ অক্টোবর খাগড়াগড়-বিস্ফোরণের পরের দিন বিকেল পর্যন্ত স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে বর্ধমানেই ছিলেন ইউসুফ। সন্ধ্যায় সেখান থেকে তিনি যায় বীরভূমের কীর্ণাহারে। সেখান থেকে এক সহযোগীর মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া করে যান মুর্শিদাবাদে। সেখানে পলাতক জঙ্গি লাদেন তাকে আশ্রয় দেন। তারপর জিয়াগঞ্জে তিন-চার দিন কাটানোর পর সেখান থেকেই বাসে শিলিগুড়ির এক ঘাঁটিতে পৌঁছে মোবাইল বন্ধ রাখেন ইউসুফ। ওখানেই একটুর জন্য এনআইয়ের হাতছাড়া হন ইউসুফ। বুধবার এই একই পদ্ধতিতে গোয়েন্দা বিভাগ জানতে পারে, উত্তরবঙ্গের নেপাল সীমান্তের এক ঘাঁটিতে গা ঢাকা দিয়ে আছেন ইউসুফ।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ সূত্র জানায়, তবে গ্রেফতারকৃত যুবক দাবি করেছেন, তিনি ইউসুফ নন। তাই ইউসুফের ছবি, গলার স্বর, ডিএনএ প্রভৃতি পরীক্ষার পাশাপাশি তাকে জেরা করা হচ্ছে। তার পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে।

তদন্তে নেমে এনআইএ জানতে পারে, ইউসুফের সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গি নেতাদের এখনো যোগাযোগ আছে। তবে বাংলাদেশে ধরা পড়ার আশঙ্কা থাকায় ইউসুফ সেপথে যাননি।

ইউসুফকে ধরার ফলে এখন বর্ধমাণে বিস্ফোরণের ঘটনার সব রহস্য উদ্ধারের আশা করছে এনআইএ। পাওয়া যেতে পারে অন্য জঙ্গিদের ঠিকানাও।






মন্তব্য চালু নেই