মেইন ম্যেনু

বরিশালের ৫ মাসের শিশুপুত্র ফিরে গেল তার বাবার ঘরে

ধর্ষিতা যুবতীর গর্ভে জন্ম নেয়া শিশু পুত্রের ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষকের সাথে মিল থাকায় অবশেষে স্ত্রী ও সন্তানের সামাজিক স্বীকৃতি মিলেছে। শুক্রবার দুপুরে ধর্ষিতাকে স্ত্রী ও ৫ মাসের শিশুপুত্রকে নিজের পুত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছে ধর্ষক এবং তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনা বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার চাঁত্রিশিরা গ্রামের।

মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল এইড সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর চাঁদত্রিশিরা গ্রামের রজ্জব আলী বখতিয়ারের কন্যা ফাহিমা খানমের সাথে হরিনাহাটি গ্রামের ফরহাদ ঘরামীর পুত্র জহিরুল ইসলামের দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। একপর্যায় বিয়ের প্রলোভনে জহিরুল ফাহিমার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে ফাহিমা অন্তঃস্বত্তা হলে বিয়ের জন্য জহিরুলকে চাঁপ প্রয়োগ করা হয়।

জহিরুল বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে গর্ভের সন্তান তার না বলে অপপ্রচার চালায়। এ ঘটনায় ফাহিমা বাদি হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। মামলার পর পুলিশ জহিরুলকে গ্রেফতার করে।

অপরদিকে পুলিশ ফাহিমাকে বরিশাল সেইভ হোমে প্রেরন করলে সেখানে গত ৫ মাস পূর্বে (২০১৪সালের ১৬ ডিসেম্বর) ফাহিমা একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়।

পরবর্তীতে হাইর্কোট থেকে জহিরুল জামিনে বের হওয়ার পর সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। এতে জহিরুলই শিশু পুত্র আল-আমিনের জন্মদাতা হিসেবে প্রমান মেলে।






মন্তব্য চালু নেই