মেইন ম্যেনু

ফের স্কুলে যাচ্ছে নেপালী শিশুরা

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত নেপালে আবারও স্কুল খুলেছে। রবিবার শিক্ষার্থীরা ক্লাসে উপস্থিত হলেও চিরচেনা সেই কংক্রিটের কক্ষে বসতে পারেনি অনেকেই। অনেক স্কুলের ভবন নেই, অনেকগুলোতে ক্লাস করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সাময়িকভাবে বাঁশের তৈরি কক্ষেই ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক স্কুলভবন ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাময়িক শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ করে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে সরকারি পরিদর্শকরা স্কুলগুলো পরিদর্শন করেছেন। তারা নিরাপদ ভবনগুলোকে সবুজ স্টিকার ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোকে লাল স্টিকার দিয়ে চিহ্নিত করেছেন।

ভূমিকম্পে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর মধ্যে ললিতপুরের পাতান উচ্চ বিদ্যালয় একটি। বিদ্যালয়টির ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এর মাঠে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ ও স্থানীয় একটি এনজিওর সহযোগিতায় বাঁশ দিয়ে শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে।

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক ঈশ্বরমান বজ্রচরণ জানান, আবারও ক্লাস শুরু হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সবাই খুশি। তিনি বলেন, ‘সব শিক্ষার্থী ক্লাসে ফিরে আসায় এবং খেলাধুলা, গান করায় আমরা আনন্দিত।’

তবে গ্রামাঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত হতে পারেনি বলে জানান তিনি।

ভবন পুনর্নির্মাণে স্কুল কর্তৃপক্ষ সরকারি সহায্যের দিকে তাকিয়ে আছে বলেও জানান বজ্রচরণ।

দেশটিতে গত ২৫ এপ্রিল ৭ দশমিক ৮ মাত্রার বড় ধরনের একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ দুর্যোগের রেশ না কটাতেই ১২ মে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার আরেকটি বড় ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি লোক নিহত ও ২০ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছে।

ভূমিকম্পে গোর্খা, সিন্ধুপালচক ও নুয়াকোট জেলার ৯০ শতাংশেরও বেশি স্কুলভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার শ্রেণীকক্ষ।






মন্তব্য চালু নেই