মেইন ম্যেনু

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির পক্ষে ব্রিটিশ এমপিরা

ইসরাইলের পাশাপাশি রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার পক্ষে ভোট দিলেন ব্রিটিশ এমপিরা। তবে এই ভোটাভুটির ফল মেনে নিতে বাধ্য নয় ক্ষমসতাসীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।
‘আলোচনার মাধ্যমে দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বিষয় নিশ্চিতে ভূমিকা’ শীর্ষক ওই প্রস্তাব সমর্থন করে হাউস অব কমন্স।
কমন্স সভার ৬৫০ জন সদস্যের মধ্যে অর্ধেকের কম ভোটাভুটিতে অংশ নেন। প্রস্তাবের পক্ষে পড়ে ২৭৪ ভোট। বিপক্ষে ১২ ভোট।
সুইডেনের নতুন মধ-বাম সরকার ফিলিস্তিনকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি জানানোর প্রস্তুতির মধ্যে ব্রিটিশ কমন্স সভায় এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট নেয়া হল।
শ্রমিক দলের এমপি গ্রাহাম মরিস প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাক স্ট্র এতে সামান্য সংশোধনী আনেন। তবে সরকার দলীয় মন্ত্রীরা ভোটদানে বিরত ছিলেন।
প্রস্তাবে বলা হয়, কমন্স সভা মনে করে ইসরাইলের পাশাপাপাশি ব্রিটিশ সরকার রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনিকেও স্বীকতি দেয়া উচিত, যাতে আলোচনার মাধ্যমে ‘দুই রাষ্ট্র সমাধানে’র বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মন্ত্রী টোবিয়াস ইলউড বলেন, শান্তি প্রক্রিয়ার স্বার্থে উপযুক্ত সময়ে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার অধিকার রয়েছে ব্রিটেনের।
২০১২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনের মর্যাদাবৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রস্তাবের পক্ষে ভোট নেয়া হয়। ভোটাভুটিতে প্রস্তাবের পক্ষে পড়ে ১৩৮ ভোট। যুক্তরাজ্যসহ ৪১ টি রাষ্ট্র তখন ভোটদানে বিরত থাকে। ফিলিস্তিন এখন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্রিটিশ সরকার ভোটের ফল মানতে বাধ্য না হলেও কমন্স সভার এমপিদের এই স্বীকৃতি একেবারে গুরুত্বহীন নয়।
মরিস বলেন, ব্রিটিশ এমপিদের এই স্বীকৃতি ‘প্রতিকী অর্থে খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এবং শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে এটি সহায়তা করবে।’
ইসরাইল-ফিলিস্তিনি শান্তি আলোচনায় বর্তমানে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
বর্তমান ব্রিটিশ সরকারের ফিলিস্তিনি সঙ্কটের নীতিও অনেকটা তাই। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ এই নীতির প্রণেতা। এই নীতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।
লেবার দলের ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ান লুকাস বলেন, যেসব ফিলিস্তিন সন্ত্রাসের পরিবর্তে রাজনীতির পথে অগ্রসর হতে চায় তাদের কণ্ঠকে আরো শক্তিশালী করবে এই প্রস্তাব। তবে
এটা আলোচনার কোনো বিকল্প নয়। এটা দুই পক্ষকে আরো কাছকাছি আসার ক্ষেত্রে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
রক্ষণশীল এমপি নিকোলাস সোয়ামেস বলেন, ফিলিস্তিনিদের স্বীকৃতি নৈতিকভাবেই সঠিক এবং ব্রিটেনের স্বার্থেই এটা হওয়া উচিত।
রক্ষণশীল দলের আরেক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যার ম্যালকম রিফকিন্ড বলেন, তিনি ফিলিস্তিন সংকটের সমাধান দুই রাষ্ট্রের ভিত্তিতেই করার পক্ষে।






মন্তব্য চালু নেই