মেইন ম্যেনু

বিশ্বকাপ জ্যোতিষী

পলের উত্তরসূরী এবার হাতি-কচ্ছপ

কার হাতে উঠছে ব্রাজিল বিশ্বকাপের ট্রফি- বহু চর্চিত এই প্রশ্নটির উত্তর জানা নেই কারো।

কিন্তু এজন্য কী বসে থাকবে মানুষ? তন্ত্র-মন্ত্র কিংবা গ্রহ-নক্ষত্রের সাহায্য নিয়ে ভবিষ্যতবাণী করার ধুম লেগেছে সারা বিশ্বের মানবকুলের। এমনকি পশুপাখিরও। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ধারাবাহিক ভাবে প্রত্যেকটি ম্যাচের সঠিক ভবিষ্যত বাণী করে সাড়া ফেলে দিয়েছিল জার্মান অক্টোপাস পল। এবার তিনি পর্দার অন্তরালে। কিন্তু তার জায়গা নিতে তৈরি জীব জগতের আরো অনেক সদস্য। এই তালিকায় আছে ব্রাজিলের সালভাদরের কচ্ছপ তামার, চীনের পান্ডা ও জার্মান হাতি নেলি।

ব্রাজিলের বাহিয়া রাজ্যে বসবাস তামার নামক কচ্ছপের। যার প্রথম ভবিষ্যতবানী বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ নিয়ে। যা মিলে গেলে ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ ড্র হবে। তামার যে জলের ট্যাঙ্কে থাকে, সেখানে ব্রাজুকা (বিশ্বকাপের বল) রেখে ক্রোয়েশিয়া আর ব্রাজিলের পতাকা রাখা হয়েছিল। তামার ব্রাজিলের পতাকার দিকে বেশ কিছুটা এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত তা স্পর্শ করেননি। অর্থাৎ, ম্যাচটি নিস্ফলা থাকছে।

ব্রাজিলের নজর যখন তামারের জলের ট্যাঙ্কে, চীন তখন মেতেছে এক দল পান্ডা-শিশু নিয়ে। সিচুয়ান এলাকার এক পার্কের বাসিন্দা এই খুদে পান্ডাদের বয়স এক থেকে দুই বছরের মধ্যে। তাদের ওপর দায়িত্ব থাকবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচের ভবিষ্যতবাণী করার। ম্যাচের আগে পান্ডা-শিশুদের সামনে তিন ঝুড়ি করে খাবার রাখা থাকবে। দুটো ঝুড়ি দুই সংশ্লিষ্ট দেশের, তিন নম্বরটা ড্র। পান্ডা শিশুরা যে ঝুড়ি থেকে খাবার তুলবে, সেই হিসেবে ম্যাচের ফল ঘোষণা করা হবে।

পান্ডা বা কচ্ছপের ভবিষ্যতবাণী দেখে হাসছেন জার্মানরা! হ্যাঁ, তাদের দাবি পান্ডা-কচ্ছপেরা তো আনকোরা জ্যেতিষী। এই বিভাগে ‘এক্সপার্ট’ যদি কেউ থেকেই থাকে তাহলে সে অবশ্যই নেলি। জার্মানির সেরেঙ্গেটি পার্কের দীর্ঘ দিনের বাসিন্দা এই হস্তিনী প্রায় এক দশক ধরে ফুটবল ম্যাচের ফল সঠিক ভাবে বলে আসছে। পার্কের ম্যানেজার ফাব্রিজিও সেপের দাবি, ২০০৬ থেকে বিভিন্ন বড় টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ৩৩টা ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণী করেছে নেলি। যার মধ্যে মিলে গিয়েছে তিরিশটা ম্যাচের ফল। সেপের কথায়, ‘২০০৬ মেয়েদের বিশ্বকাপ, ২০১০ বিশ্বকাপ, ২০১২ ইউরো— সব টুর্নামেন্টেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছে নেলি। ওর সাফল্যের হার যা, তাতে নেলিকেই এক নম্বর পশু ভবিষ্যত দ্রষ্টা বলতে হবে।’






মন্তব্য চালু নেই