মেইন ম্যেনু

‘নবীর দেশে যেতে পারবো না, তাই মসজিদে নববির খতিবের পেছনে নামাজ পড়লাম’

নবীর দেশে যেতে পারবো না, তাই মসজিদুন নববির খতিবের পেছনে নামাজ পড়লাম-শুক্রবার সৌদি আরবের মসজিদে নববির ইমাম ও খতিবের ইমামতির নামাজ পড়ার পর সাধারণ মুসল্লিরা এমনটাই জানিয়েছেন। মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আবদুল মুহসিন বিন মুহাম্মদ আল-কাসিম বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজের ইমামতি করেন।

মসজিদে নববির ইমামকে দেখতে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় ছিল বায়তুল মোকাররমে। প্রায় ৫০ হাজার মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেন বলে জানা গেছে। মসজিদের অষ্টম তলা পর্যন্ত কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল। মসজিদের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেকে রাস্তায় দাড়িয়ে নামাজ পড়েন। রাজধানী ছাড়াও আশপাশের এলাকা থেকেও মসজিদে নববির ইমামের পেছনে জুমার নামাজ আদায় করতে আসেন।

রাজধানীর টিকাটুলি থেকে বায়তুল মোকাররমে আসেন আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘কখনও সৌদি আরব নবীর দেশে যেতে পারবো না হয়তো। মসজিদে নববিতে নামাজ পড়ার সৌভাগ্য হবে কিনা জানি না। অন্তত সেই মসজিদের ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার সুযোগ তো পেলাম।’

গাজীপুর থেকে এসেছেন এসেছেন আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, ‘এটা মুসলমান হিসেবে ভাগ্যের ব্যাপার। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, সৌদি আরবে না গিয়েও মসজিদুন নববীর ইমামের পেছনে নামাজ আদায় করতে পেরেছি।’

আজ বেলা ১২টার আগ থেকেই মসজিদের আসতে শুরু করেন মুসল্লিরা। সৌদি আরবের মসজিদে নববির ইমাম ও খতিবকে এক নজর দেখেতে মসজিদের মিমবারে দিকে নজর ছিল মুসল্লিদের। নামাজ শেষে সৌদি আরবের মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব ফিরে যাওয়ার সময়ও সড়কের দুপাশে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় মুসল্লিদের।

এদিকে, খুতবায় মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব বাংলাদেশের আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। বাংলাদেশে তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানান। নামাজ শেষে মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই