মেইন ম্যেনু

তসলিমায় একাকার চূর্ণী

বলা যায়, তসলিমা নাসরিনের অবয়ব রূপায়ণে বেশ সফল হলেন টালিউড অভিনেত্রী চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়। অবশ্য চূর্ণী অভিনেত্রী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের সুপরিচিত। সর্বশেষ তার অভিনীত দুটি ছবি বেশ আলোচিত ছিল।
এর একটি হচ্ছে শব্দ। ভারতের ৬০তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারে সেরা বাংলা ছবির খেতাব ছিনিয়ে নেয় এই ছবিটি। অপরটি বাকিটা ব্যক্তিগত। যারা ভালো ছবির খোঁজে থাকেন তাদের কাছে এই ছবিটি নিঃসন্দেহে অন্যতম প্রিয়।
সেই চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায় অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনায়ও নাম লেখালেন। নির্বাসিত তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা। পরিচালনা করার ক্ষেত্রে প্রথম ছবির কাহিনি হিসেবে বেছে নিয়েছেন তসলিমা নাসরিনের জীবন। আগাগোড়া এই ছবি তসলিমার জীবনেরই একটা অধ্যায়। আবার সে চরিত্রটিতে নিজেই অভিনয় করলেন। তসলিমায় একাকার হলেন চূর্ণী। অভিনয়েও যথার্থতার পরিচয় দিলেন এবং সফল হলেন। প্রশংসা পেয়েছেন খোদ তসলিমারও।
সিনেমাটি প্রসঙ্গে চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের ভাষ্য, ভাবলাম আর সিনেমাটা করে ফেললাম, এমন নয়। স্ক্রিপ্ট লিখতেই দেড় বছর সময় নিয়েছেন চূর্ণী। কারণ, তার ভাষায় ‘তসলিমাকে নিয়ে আমি বিতর্ক সৃষ্টি করতে চাইনি। তসলিমাকে বিক্রি করা আমার উদ্দেশ্য নয়। এটা তসলিমার জীবনী বা বায়োপিকও নয়। এটা নিছকই এক সম্পর্কের কাহিনি।’
তারপরও কথা থেকে যায়, দুজন দুজনার না হলে কী এতটা সম্ভব? যতটা তসলিমাকে নিয়ে চূর্ণী করলেন। অবশ্যই মনের চোখ দিয়েই বুঝতে হয়েছে তাকে।






মন্তব্য চালু নেই