মেইন ম্যেনু

গাইবান্ধার খবর :

গাইবান্ধায় পুষ্টিকণার ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা

গাইবান্ধায়  ‘অপুষ্টিজণিত রক্তস্বল্পতা থেকে শিশুকে রা করার উপায় এবং পুষ্টিকণার ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির যৌথ আয়োজনে ও গ্লোবাল আ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন গেইনের সহযোগিতায় মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আকতার আলম ডন। এতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহা. আহসান হাবীব,  থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়া লতিফুল ইসলাম, উপজেলা পরিবার করিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইরিপদ চন্দ্র ঘোষ ও সাদুল্যাপুর প্রেসকাব সভাপতি তাজুল ইসলাম রেজা।
উল্লেখ্য, শিশুর অপুষ্টি বাংলাদেশে মানব উন্নয়নে একটি বড় সমস্যা। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লইে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাদুল্যাপুর হাসপাতালের আরএমওর
খেয়াল খুশী মতো চালিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা সেবা
তোফায়েল হোসেন জাকির, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর আরএমও তালিবুর ইসলাম যোগদান করার পর থেকেই নানা অনিয়মের মধ্যে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসা সেবা। বিভিন্ন সময় ছুটি বিহীন বাহিরে অবস্থানসহ রোগীদের নামে ভুয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে খাদ্যর টাকা উত্তোলন করে পকেটস্থ করার অভিযোগ উঠেছে।  ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলা বাসী। বর্তমানে দায়িত্বরত আরএমও তালিবুর ইসলাম জরুরী বিভাগে দায়িত্বে থেকেও মনগড়া ভাবে কাউকে দায়িত্ব না দিয়ে দিনের পর দিন বাহিরে অবস্থান করে আসছেন।
সম্প্রতি পথ্য তালিকা সুত্রে জানাযায়, ২১, ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর রোগীর তালিকায় অফিসের কর্মরত সুইপার বিশ্বনাথ ও সুইপার সংকুরী নাথের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা/কর্মচারী জানায়, ওই কর্মকর্তা ছুটি ছাড়াই গত ১১ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ও ১৮ থেকে ২২ ডিসেম্বর পযর্ন্ত¡ কাউকে দায়িত না দিয়েই ব্যাক্তিগত কাজে বাহিরে অবস্থান করেন। একারণে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন জরুরী বিভাগে ভর্তি হতে আসা রোগীরা। তথ্যানুসন্ধানে আরো জানাযায়, তালিবুর ইসলাম ২০০৯-১০ইং শিা বর্ষে চট্রগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের শিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা কালীন সময়ে সে হল দখলকে কেন্দ্র করে একধিকবার গ্রেফতারও হয়েছিল। তারপরও সে ৩৩তম বিসিএস পরীায় উর্র্র্ত্তিণ হয়ে মেডিক্যাল সার্জন হিসাবে সাদুল্যাপুর হাসপাতালে প্রথম যোগদান করেন । কিন্তুু হাসপাতালে সিনিয়র ডাঃ না থাকায় সে দায়িত্ব পায় আরএমওর। জরুরী বিভাগের দ্বায়িত্ব নিয়েই মতার দাপটে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মচারীদের সাথে অসাদআচারণ করে আসছে। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে আরএমও ডাঃ তালিবুর ইসলাম বলেন, ভাল কিছু করতে গেলে অভিযোগ আসতেই পারে তবে শিবিরের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আক্তার আলম ডন জানান, তার বাহিরে অবস্থানের বিষয়টি আমার জানা।






মন্তব্য চালু নেই