মেইন ম্যেনু

খুঁটির ভাড়া ৩ হাজার টাকা!

বাঁশের খুঁটিতে গরুর রশি বাঁধার জন্য গরুপ্রতি ৩ হাজার টাকা করে গুণতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এমন অভিযোগ করেছে গাবতলী হাটে গরু বিক্রি করতে আসা ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার গাবতলী গরুর হাটে গেলে এই অভিযোগ পাওয়া যায়।
কুষ্টিয়ার গরু ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, ‘ভেবেছিলাম গাবতলী হাটে আসলে ব্যবসা ভালো হবে। কিন্তু যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে লাভের ধন পিঁপড়ায় খাবে। এখানে প্রতি পদে পদে নানা কারণে টাকা দিতে হচ্ছে। হাটের ভিতরে গরু বাঁধার জন্য বাঁশের আড় লাগানো হয়েছে। কিন্তু সেই আড়ে গরু বাঁধতে গেলেই গরুপ্রতি ৩ হাজার টাকা করে নেয়া হচ্ছে।’
এই টাকা কে বা কারা নিচ্ছে জানতে চাইলে মাসুদ বলেন, ‘হাটের ভিতরে এসে তো আর বাইরের লোকজন টাকা চাইবে না। যারা টাকা নিচ্ছে তারা হাট কর্তৃপক্ষেরই ঠিক করা লোকজন।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা আরেক ব্যবসায়ী ইউসুফ আলী জানান, হাট কর্তৃপক্ষের সহযোগী এই চক্র যার কাছ থেকে যেমন পারে, বেকায়দায় ফেলে এই টাকা নিচ্ছে। কারো কাছ থেকে বেশি, আবার কারো কাছ থেকে কম নিচ্ছে। তবে সব ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই নিচ্ছে না।
এই ব্যবসায়ী জানান, ঝামেলায় পড়তে হতে পারে এই ভয়ে কেউ মুখ না খুললেও অনেকেই এর ভুক্তভোগী।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে গাবতলী পশুর হাটের ইজারাদার লুৎফর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট। এমন কোনো ঘটনা এর আগেও ঘটে নাই, এবারও না। ব্যবসায়ীরা যেন কোনো প্রকার চাঁদাবাজির শিকার না হয় সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতন রয়েছে। হাটে ৫ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনও সক্রিয় রয়েছে। তারপরও ব্যবসায়ীরা যখন এমন অভিযোগ তুলেছেই, আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।’
হাট কর্তৃপক্ষ বা স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে যদি কেউ এমন কাজ করে থাকে তবে হাট কমিটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
হাসিল ঘরের (কর আদায় ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ) দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন জানান, হাটে এসে গরু ব্যবসায়ীদের যদি কোনো রকম অসুবিধা হয় তাহলে সেটা হাসিল ঘরে বা হাট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। এখন পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা এমন অভিযোগ নিয়ে আসেনি।






মন্তব্য চালু নেই