মেইন ম্যেনু

কুর্দিস্তান রক্ষা করতে নারী সেনারা প্রস্তুত

ইরাকের কুর্দিস্তানে নারীদের নিয়ে গঠিত সেনাবাহিনীতে চলছে জোর প্রশিক্ষণ। সশস্ত্র সুন্নি ইসলামি সংগঠন আইসিসের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত হচ্ছেন এ সেনাসদস্যেরা।

পূর্বঅভিজ্ঞতা থেকে কুর্দ বাহিনীর জানা আছে, ভূমি এবং তেলকূপগুলো আইসিসের প্রধান আকর্ষণ। এর ভিত্তিতে একজন কর্নেলের নেতৃত্বে যুদ্ধকৌশল সাজাচ্ছে সেনাবাহিনীর নারী অংশ- পেশমেরগা।

স্বায়ত্বশাসিত কুর্দিস্তানের সুলাইমানিয়া শহরে এ নারী সেনাদের প্রশিক্ষণ নিতে দেখা যায়। তাদের কাঁধে শোভা পাচ্ছে কালাশনিকভ একে ৪৭ রাইফেল।

নেতৃত্বে থাকা কর্নেল নাহিদা আহমেদ রশিদ-এর সূত্রে জানা যায়, সেনাদলের সদস্যেরা ইতোমধ্যে রণক্ষেত্রের পুরোভাগে অবস্থান নেয়ার মতো যথেষ্ট যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, কুর্দি সেনাবাহিনীর এ নারী অংশ নতুন কিছু নয়। ১৯৯৬ সালে সাদ্দামবাহিনীকে প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে এ সেনাদল প্রথম গঠিত হয়েছিল। তবে বর্তমানে আইসিসের আক্রমণকে কেন্দ্র করে এ বাহিনীতে নতুন জোয়ার এসেছে বলে জানা যায়।

বর্তমানে দলটিতে নারী সেনাসদস্য ৭০০ জন। এদের মধ্যে স্বল্পসংখ্যক নারী ইতোপূর্বে যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। বেশিরভাগই স্বেচ্ছাসেবক, নবিশ।

জানা যায়, আইসিস কর্তৃক অত্র অঞ্চল আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ার পর, কুর্দিস্তানের নারীরা নাহিদা রশিদের কাছে সেনাবাহিনীতে অংশ নেয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। নাহিদা তাদের মধ্যে যোগ্যতমাদের সাদরে গ্রহণ করেন।

গত মাসে ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমাংশের বিশাল এলাকা আইসিসের দখলে চলে আসায় তেলসমৃদ্ধ কুর্দিস্তান আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়।

কর্নেল জানান, নারী সদস্যদের সোয়াট ও বিশেষ সেনাদলের সঙ্গে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ ক’জন রণক্ষেত্রে পুরুষ সেনাসদস্যদের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন।

স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিনি নিজেও রণক্ষেত্রে উপস্থিত হতে যাচ্ছেন বলে জানান কর্নেল নাহিদা আহমেদ রশিদ।






মন্তব্য চালু নেই