মেইন ম্যেনু

এমএইচ ১৭ : অজানা গন্তব্যে ১৯৬ মরদেহ

ইউক্রেন রাশিয়া সীমান্তে ‘রুশপন্থীদের মিসাইল আক্রমণে’ বিধ্বস্ত যাত্রীবাহী মালয়েশীয় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৬টি মরদেহকে রেলগাড়ির শীতলকক্ষে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অজানা গন্তব্যে।

বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম থেকে উড়ে আসা কুয়ালালামপুরগামী বিমানটির বিস্ফোরণে বিমানের ২৯৮ যাত্রীর সবক’জনের মৃত্যু হয়েছে।

ট্রেনের পাঁচটি শীতলঘরে মরদেহগুলোকে তুলে সেগুলো সীলগালা করে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ট্রেনটি শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তোরেজ স্টেশনে অবস্থান করছিল। স্টেশনটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

পূর্বে অধ্যুষিত অঞ্চলে উদ্ধারকর্মী ও তদন্তকারী দলকে সহযোগীতার আশ্বাস দিলেও কথা রাখেনি রুশপন্থী সশস্ত্র সেনারা। পশ্চিমা কূটনীতিকরা এ নিয়ে ক্রমেই মুখ খুলছেন।

এছাড়া, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি জানিয়েছেন, রুশপন্থীরা যে মিসাইল ছুঁড়ে বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে এবং সে মিসাইল ও উৎক্ষেপক যে রাশিয়াই তাদের সরবরাহ করেছে, সেটি তার কাছে একেবারে পরিষ্কার।

রুশপন্থীরা বিভিন্ন অবরোধ আরোপ করলেও, বিমানের তথ্য সংগ্রহকারী ফ্লাইট রেকর্ডারটি নিজেরাই আন্তর্জাতিক বেসামরিক উড্ডয়ন সংস্থা (International Civil Aviation Organization)-এর কাছে হস্তান্তর করবে বলে জানিয়েছে।

বিমানের দুটি ফ্লাইট রেকরর্ডারের একটি পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, রুশপন্থীরা এরই মধ্যে বিমান দুর্ঘটনার লক্ষণ প্রকাশ করে দিতে পারে এমন কিছু যন্ত্রাবশেষ, যন্ত্রাংশ সরিয়ে ফেলেছে বলে তাদের কাছে খবর এসেছে।






মন্তব্য চালু নেই