মেইন ম্যেনু

‘ইসলামের শত্রুদের’ শক্তহাতে দমনের আহ্বান হজের খুতবায়

উগ্রপন্থিদের ‘ইসলামের শত্রু’ আখ্যায়িত করে তাদের শক্তহাতে দমনের আহ্বান এবং আত্মশুদ্ধির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে হজ পালন করলেন সারা বিশ্বের ২০ লাখের বেশি মুসলমান।
মিনা থেকে ট্রেনে, বাসে বা পায়ে হেঁটে শুক্রবার আরাফাতের ময়দানে জড়ো হন মুসল্লিরা, যার মধ্য দিয়ে শুরু হয় হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।

এ সময় লাখো কণ্ঠে ছিল উচ্চারিত হয়- “লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক…”

মুসল্লিরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে সুবিধাজনক জায়গায় অবস্থান নিয়ে ইবাদত করেন।

সৌদি প্রেস এজেন্সির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার পর মসজিদে নিমরাহ থেকে হজের খুতবা দেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল আজিজ আল শাইখ।

দৃশ্যত মধ্যপ্রাচ্যের জঙ্গি সংগঠন আইএসের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে গ্র্যান্ড মুফতি বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের উদ্দেশ্যে খুতবায় বলেন, “আপনাদের ধর্ম আজ হুমকির মুখে, আপনাদের নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে।… এই অপরাধীরা ধর্ষণ করছে, রক্তপাত ঘটাচ্ছে, লুটতরাজ চালাচ্ছে। আর এই সন্ত্রাস যারা চালাচ্ছে ইসলামের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।”

খুতবার পর জুমার নামাজ পড়ে সন্ধ্যায় মুজদালিফার উদ্দেশ্যে আরাফাত ময়দান ত্যাগ করেন মুসল্লিরা।

মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ পড়ে তারা পাথর সংগ্রহ করবেন, যা পরে মিনায় জামারাতে প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে ছোড়া হবে।

শনিবার সকালে মিনায় ফিরে প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার পর পশু কোরবানি দেয়া হবে। তারপর মক্কায় গিয়ে কাবা প্রদক্ষিণ করে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন মুসল্লিরা।

১৫০টি দেশের ২০ লাখের বেশি মুসলমান এবছর হজ পালন করছেন, যার মধ্যে প্রায় এক লাখ বাংলাদেশি রয়েছেন।

এদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেড় হাজার এবং বেসরকারিভাবে সাড়ে ৯৭ হাজার জন হজে গেছেন।






মন্তব্য চালু নেই