মেইন ম্যেনু

আইএস জঙ্গীদের নিশানায় কলকাতার মাদার হাউস?

মাদার হাউস শুধু মিশনারিজ অফ চ্যারিটির প্রধান কার্যালয়ই নয়, এখানেই রয়েছে মাদার টেরেজার সমাধিও। এখানে দেশ-বিদেশের অতিথিদের আসা-যাওয়া চলতেই থাকে। এই মাদার হাউসই এখন হয়ে উঠেছে আইএস জঙ্গীদের অন্যতম নিশানা।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে ধৃত আইএস জঙ্গী মুসাকে জেরা করে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা আদালতে চার্জশিট পেশ করে জানিয়েছে মুসাই মাদার হাউসে হামলার ছক কষেছিল। ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে ফেলেছিল সে।

গত জুলাই মাসে বর্ধমান থেকে মহম্মদ মসিউদ্দিন ওরফে মুসাকে গ্রেফতার করে সিআইডি। বীরভূমের লাভপুরের বাসিন্দা মুসার সঙ্গে জঙ্গী সংগঠন আইএস-এর যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য আগেই পেয়েছিল গোয়েন্দারা। সে তথ্য পাচার করা ও টাকা তোলা দু’টি কাজই করত।
মুসাকে জেরার সময় গোয়েন্দারা জানতে পারে, উত্তর কলকাতায় একটি কলেজে পড়ার সুবাদে কলকাতায় জাল বিস্তার করতে বিশেষ অসুবিধা হয়নি তার। ওয়াটগঞ্জ, মেটিয়াবুরুজ, একবালপুরসহ বন্দর এলাকাতেও মুসার ইনফর্মার ছিল। গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স এবং ফোর্ট উইলিয়ামেও মুসার সোর্স ছিল। তাদের থেকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ করত সে।

বীরভূমের ইলামবাজারে গোষ্ঠী সংঘর্ষে এবং মালদার কালিয়াচকের থানায় হামলার ঘটনায় মুসার যুক্ত থাকার কথাও জানতে পেরেছে গোয়েন্দারা।

সম্প্রতি আমেরিকার এফবিআই-এর গোয়েন্দারাও মুসাকে জেরা করেছে। কয়েকটি মোবাইল মেসেজ ও ফেসবুকের কথপোকথন নিয়ে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করে এই আইএস জঙ্গীকে। সূত্রের খবর বাংলাদেশে গুলশন হামলার আগে মুসা বাংলাদেশ ও সিরিয়ায় কয়েকটি মেসেজ পাঠিয়েছিল।






মন্তব্য চালু নেই