মেইন ম্যেনু

অস্ট্রেলিয়ায় আলোকচিত্রীর ক্যামেরায় ভূত !

হলিউডের বড় অনুষ্ঠানগুলো অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড কিংবা সিডনিতে হয়ে থাকে। সেরকমই একটি অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রী হিসেবে ছবি তুলছিলেন ফেলিসিটি কোল। ওই পার্টিতে তার তোলা একটি ছবি গোটা অস্ট্রেলিয়ায় তোলপাড় শুরু করে দিয়েছে।

কোল পার্টিতে অনেকগুলো ছবিই তুলেছেন। কিন্তু তার তোলা একটি ছবিতে ভৌতিক একজোড়া পা দেখা দেয়ায় শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক। তবে ছবিটি যাচাই বাছাই করার আগেই কোলের ব্যাক্তিগত জীবনের কারণে ছবিটি সোজা আলোচকদের ভৌতিক দিকে নিয়ে যায়। কারন তাসমানিয়ার বাসিন্দা কোল দীর্ঘদিন ধরেই আদিভৌতিক বিষয়াদি নিয়ে কাজ করছেন। তাই কোল যখন ছবিতে ভূতের কথা বলেন তখন সকলকে বাধ্য হয়ে ব্যাপারটি নিয়ে ভাবতে হয়।

তবে ডেইলি মেইল অস্ট্রেলিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে কোল জানান যে ছবিটি তোলার সময় তার ক্যামেরার সাটার স্পিড খুব ধীর ছিল। স্বাভাবিকভাবে ক্যামেরায় স্লো সাটার থাকলে দৃশ্যমান সাবজেক্টগুলোতে অনেকটা স্যুরিয়াল এফেক্ট চলে আসে। চলমান সকল বস্তু বা ব্যাক্তি তখন মোশন ব্লার হয়ে যায়। কিন্তু কোল দাবি করছেন যে, তার ছবির ওই পা জোড়া স্লো সাটারের কারণে হয়নি। কারণ যে মাত্রার সাটার স্পিড দেয়া ছিল তাতে ব্যাক্তির পা স্থির হয়ে যাবার পর শরীরের উর্দ্ধাংশও ব্লার হয়ে যাবার কথা ছিল, কিন্তু ছবিটিতে পাজোড়ার কোনো মালিকের চেহারা পাওয়া যায়নি। অবশ্য কোল বিষয়টি প্রথম টের পান বাড়িতে এসে কম্পিউটারে ছবিগুলো ঢোকানোর পর। এবং তিনি এই ছবিতে ফটোশপের কোনো কারিকুরি করেননি বলেও জানান।

শুধু কোলের ঘটনাটিই নয়, গতবছরের শেষের দিকে জাপানে এক বাচ্চা মেয়ের ছবিতে একজোড়া পা দেখতে পাওয়া যায়। সেই ছবিটি নিয়েও বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল সামাজিক যোগযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে জাপানে। এখন পর্যন্ত যদিও সেই রহস্যের সুরাহা হয়নি। তবে অনেক আলোকচিত্রীর দাবি যে, ছবির পেছনের পা জোড়া কায়দা করে বসানো হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই