মুক্তিযোদ্ধাদের বোনাসের জন্য ৪০০ কোটি টাকা দাবি

মুক্তিযোদ্ধাদের ঈদ, পহেলা বৈশাখ, ২৬ শে মার্চ ও ১৬ ই ডিসেম্বরে বোনাস দেয়ার জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

রোববার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবির কথা জানান। এর আগে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনে তিনি বলেন, সকলে ঈদবোনাস পাবে, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না। ঈদবোনাস তাদের দাবি। আর ২৬ শে মার্চ ও ১৬ ই ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের দিন। এ দুই দিনে বিশেষভাতারও দাবি তাদের। বোনাস হিসেবে দুই ঈদে ৪ হাজার টাকা করে দিলে ৮ হাজার, বৈশাখীতে ২ হাজার, ২৬ শে মার্চে ৫ হাজার ও ১৬ ই ডিসেম্বর ৫ হাজার টাকা দিলে এক বছরে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে মাত্র ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। আর এর জন্য মোট খরচ হয় ৪০০ কোটি টাকায়। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এই ৪০০ কোটি টাকা বরারদ্দের দাবি জানাচ্ছি।

মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী বলেন, ৩৬০টি উপজেলায় উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। ৬০টি জেলায় কমপ্লেক্স করা হয়েছে। ইতিমধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা সশস্ত্র যুদ্ধ করেছে, যারা মুজিবনগর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন, যারা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কলা-কুশলী-পরিচালনাকারী, মেডিকেল টিমে যারা কাজ করেছে, ফুটবল টিম যারা করেছিল এমনকি যারা বীরাঙ্গনা তাদেরকেও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় রাখা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান একই ডিজাইনে সংরক্ষণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, তিনি অভিযোগ করেন, দেশ বিক্রি হয়ে গেছে, এর যথাপযুক্ত প্রমাণ দিন। নির্বাচনের পর গুপ্তহত্যা, সন্ত্রাস করেও সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানো যায়নি। পরে বিদেশিদের হত্যা করে সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। এখন তারা বলছে, নির্বাচন দিলে নাকি গুপ্তহত্যা বন্ধ হবে। যদি হত্যাকারীদের সঙ্গে তাদের আতাত না থাকে তাহলে একথা তারা কীভাবে বলছে।

খালেদা জিয়া ১৯ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলেও এসময় অভিযোগ করেন তিনি।



মন্তব্য চালু নেই