বেহেস্ত, দোযখ, পুলিশ ও একজন এসপি নজরুল

২০০১ সালের প্রথম দিকে সিরাজগঞ্জ জেলায় তথ্য অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলাম। জেলা তথ্য অফিসারের কার্যক্রম জেলা প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। জেলার সহকারী কমিশনারগণ থেকে শুরু করে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারগণ হয়ে ডেপুটি কমিশনার মানে, জেলা প্রশাসক পর্যন্ত সবার সাথে একটি কার্যকর সম্পর্ক গড়ে ওঠে জেলা তথ্য অফিসারের। তবে এই সম্পর্ক সব নিরবিচ্ছিন্নভাবে মধুর থাকে না। অনেক সময় হয়ে এটা ওঠতে পারে বেশ তিক্ত। বিশেষ করে, জুনিয়র কর্মকর্তাদের সাথে অনেক সময় লাগালাগি হতে পারে। কিন্তু সিনিয়র কর্মকর্তাগণ ভালো হলে সে লাগালাগি বেশি দিন স্থায়ী হয় না। অল্পদিন পরেই সব কিছু ঠিক হয়ে যায়।

তথ্য ক্যাডার থেকে পরবর্তী বিসিএস এর মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে যোগাদনের জন্য অপেক্ষা করছি। জেলার প্রায় সব অফিসারই বিষয়টি জানেন। অফিসার্স ক্লাবে সরব উপস্থিতি ও কতিপয় প্রচারণামুলক কর্মকাণ্ডের ফলে জেলা তথ্য অফিসার জেলার কালেক্টরেটের অফিসারগণ ভিন্ন যে কোন অফিসারের চেয়ে বেশি পরিচিত হয়ে ওঠেন। তার বহির্মুখীতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। আমার ক্ষেত্রেও হয়েছিল তাই।

জেলা তথ্য অফিসারের পদ ছেড়ে শিঘ্রই পুলিশে যোগ দিব। জেলা তথ্য অফিসারের মতো আপাতত অ-আমল যোগ্য সরকারি দায়িত্ব ছেড়ে পুলিশের এএসপি এর মতো একটি পূর্ণ আমলযোগ্য নিযুক্তিতে আসব- এটা জেনে সবাই আমার সম্পর্কে কিছু না কিছু মন্তব্য করেন, উপদেশ দেন, নসিহত করেন ও অনাগত চাকরির ক্ষমতার বলয় থেকে কিছু কিছু আড়-ছাড়ের প্রত্যাশাও করেন অনেকে।

সেই সময়ে আমাকে যারা মনে রাখার মতো কিছু উপদেশ দিয়েছিলেন, তাদের অন্যতম ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলার তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আব্দুল মান্নান। তিনি পরে অতিরিক্ত সচিব হয়ে অবসরে গেছেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আব্দুল মান্নান এর অফিস কক্ষে শেষ বারের মত বিদায় নিতে গেলাম। তিনিও শেষ বারের মতো কিছু মূল্যবান উপদেশ দিলেন। জনাব আব্দুল মান্নান বললেন, ‘তথ্য সাহেব, একটি ভাল পজিশনে যাচ্ছেন। চলে যান। ওখানে কাজ করার অনেক সুযোগ আছে। মানুষের উপকার করতে পারবেন; অপকারও করতে পারবেন। পুলিশ এমন একটি চাকরি যেখানে আপনি প্রতিদিনই বেহেস্তে যাওয়ার মতো কাজ করতে পারবেন, আবার, প্রতিদিন দোজখে যাওয়ার মতো কাজও করতে পারবেন। পছন্দ আপনার।”

সিভিল সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ সহকর্মী জনাব আব্দুল মান্নানের কথার মর্মার্থ তখন পুরোপুরি না বুঝলেও পরে অনেকটাই বুঝেছি। এখনও বুঝছি। অন্তরে উপলব্ধিও করছি। হিন্দি গানের সেই লাইনগুলোর মতোই পুলিশ সম্পর্কে বলা যায়, ‘তুই মাসুম, তুই শয়তান্তু। তবে, পাঠক, পুলিশের দোজখে যাওয়া আর বেহেসেত্ম যাওয়ার কোন গুঢ় তথ্য এখানে আমি উপস্থাপন করব না। আমি একজন সুনির্দিষ্ট পুলিশ অফিসারের একটি বেহেস্তে যাওয়ার মতো কাজের কথা বলব। এক দম্পতির যাবজ্জীবন কারাদ-ের সাজা থেকে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়া স্বাধীনতার কথা বলব।

জামালপুরের পুলিশ সুপার জনাব নজরুল ইসলাম। ১৫শ’ বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের সদস্য তিনি। তাকে মিডিয়া-বিলাশী নয়; সৎকর্ম-বিলাশী বলেই জানি। ছোট ছোট মানুষগুলোর ছোট ছোট দুঃখ-কষ্ট নিয়ে তিনি মাথা ঘামান। মানুষকে সুখ দিতে না পারলেও মানুষকে তিনি কষ্ট দেন না; মানুষকে কষ্ট থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।

২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর তিনি জামালপুর জেলখানা পরিদর্শকালে এক যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত দম্পতির আকুতিতে বিচলিত হন। নয় বছর বয়সী এক গৃহপরিচারিকাকে গুম করার মিথ্যা অভিযোগ শাহীন মিয়া (৩৭) ও তার স্ত্রী সাহেরা বেগম সজনীর ২০০৭ সালে যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে।

নিদিষ্ট বিরতিতে জেলার বিচার ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কি কর্মকর্তারা বেসরকারি সংগঠন ও পেশাজীবীদের নিয়ে জেলাখানা পদির্শনে গেলে জেলখানার বাসিন্দারা দোষী নির্দোষ নির্বিশেষে সবাই নিজেদের নিষ্কলুশ বলে দাবী করেন। বিশেষ করে বিচারাধীন মামলার আসামীগণ উকিলী পরামর্শ পেয়ে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যেমনটি করেন, জেলখানার বাসিন্দারাও অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত নির্বিশেষে ঠিক তেমনটিই করেন। একজন সাধারণ মানুষ জেলাখানা পরিদর্শনে গেলে তিনি বড়ই বিভ্রান্তিতে পড়বেন। সিরিয়াল মার্ডার কেসের কুখ্যাত খুনি থেকে শুরু করে স্বভাবগত চোরটিও নিজেদের নির্মল চরিত্রের আদম বলে দাবি করেন। এই দাবীর জোয়ার থেকে প্রকৃত নির্দোষ ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সাধারণ মানুষ কেন একজন দক্ষ পুলিশ অফিসারের পক্ষেও সম্ভব নয়। আমি নিজেও বেশ কয়েকবার জেলখানা পরিদর্শনে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতাই লাভ করেছি।

আইনের নীতি অনুসারে কোন ব্যক্তিকে চূড়ান্ত বিচারে সাজা হওয়ার পূর্বে অপরাধী বলা সঠিক নয়। অন্যদিকে আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে নির্দোষ ভাবাটাও আইনগতভাবে সমীচীন নয়। কিন্তু দীর্ঘ দিনের শুনানী, জেরা, পাল্টা জেরা, আর বিচার-বিশ্লেষণে আদালতের মাধ্যমে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শাহীন দম্পতিকে পুলিশ নির্দোষ ভাববে কি করে? বলাবাহুল্য, পুলিশের শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আদালতে বাংলাদেশে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্তদের সাজার হার সীমিত। বাংলাদেশের নিম্ন আদালতে সাজার হার শতকরা ১৩-১৭%। মানে শতকরা ৮৩-৮৭% অভিযুক্ত নিম্ন আদালতেই খালাস পায়। আর উচ্চ আদালতের কথা নাই বা বললাম। তাই কোন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর নির্দোষ দাবীর গল্প পুলিশের বিশ্বাস না করাই স্বাভাবিক।

কিন্তু জামালপুর জেলখানায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই শাহীন দম্পতির কথায় বিশ্বাসের আলামত খুঁজে পান এসপি নজরুল ইসলাম। তিনি বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করে তার দীর্ঘদিনের পেশাগত প্রজ্ঞার সঠিক প্রয়োগে প্রত্যয়ী হন। বলিহারী এসপি নজরুল ইসলামের। যেখানে একটি তদন্তাধীন মামলার তদারক করার কাজই অনেক এসপি বাড়তি ঝামেলা বলে মনে করেন, সেখানে একটি শেষ হয়ে যাওয়া ঘটনাকে তিনি নতুন করে তদন্ত শুরু করার বাড়তি কাজ হাতে নেন।

এসপি নজরুল অনুসন্ধানে জানতে পারেন, জামালপুরের সন্তান শাহীন মিয়া এক সময় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করত। সেই সময় তার বাসায় কাজ করার জন্য শ্রীমঙ্গলের জনৈক তরাজ মিয়ার (৫২) নয় বছর বয়সী লাকীকে গ্রহণ করেন। কিন্তু লাকী ২০০৪ সালের মার্চ মাসে শাহীনের বাসা থেকে স্বে”ছায় উধাও হয়ে যায়। এই নিয়ে তরাজ মিয়া শাহীন দম্পতিকে নানা প্রকারের চাপ প্রয়োগ করে মেয়েকে ফিরে পেতে ব্যর্থ হন।

একই বছরের ২৩ এপ্রিল সাসে লাকীর বাবা তরাজ মিয়া মৌলভীবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে শাহীন ও তার স্ত্রীর নামে নালিশ করেন। ট্রাইবুনাল নালিশটি নিয়মিত মামলা হিসেবে তদন্ত করার জন্য শ্রীমঙ্গল থানায় প্রেরণ না করে জুডিশিয়াল ইনকোয়ারীর জন্য শ্রীমঙ্গল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব ফারুক আহম্মদের কাছে প্রেরণ করেন। এসি (ল্যান্ড) আসামী শাহীন ও তার স্ত্রী সজনীকে অভিযুক্ত করে ২০০৪ সালের ২৭ নভেম্বর ট্রাইবুনালে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু ফৌজদারি মামলার তদন্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও একটি গুম ঘটনার ক্ষেত্রে ভিকটিমকে উদ্ধার করার মতো প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বা আইনী দায়িত্ব না থাকায় এসি (ল্যান্ডের) প্রতিবেদনটি ছিল অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ ও নিতান্তই দুর্বল। আবার ভিকটিম উদ্ধারের কোন প্রচেষ্টা বা নির্দেশনা না দিয়েই আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিচারের নিয়মিত প্রক্রিয়া শুরু করেন। আর অভিযুক্ত শাহীন ও তার স্ত্রী শ্রীমঙ্গলের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তাদের গ্রামের বাড়ি জামাল পুরে আত্মগোপন করেন।

দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে আসামীদের অনুপস্থিতিতে মৌলভীবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মোঃ ফজলুর রহমান ২০০৭ সালের ১৩ আগস্ট আসামী শাহীন ও সজনীকে যাবজ্জীবন কারাদ-সহ ১০ হাজার টাকার জরিমাণার দণ্ড আরোপ করেন। যাবজ্জীবন সাজার পরোয়ানা আসে জামালপুর জেলায়। থানা পুলিশ ৩০ জুলাই ২০১৩ তারিখে শাহীন দম্পতিকে গ্রেফতার করে জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়। আর একই বছরের ১১ নভেম্বর শাহীন দম্পতি এসপি নজরুলকে তাদের বিনা দোষে যাবজ্জীবন সাজার কথা জানায়।

শাহীন দম্পতির আকুতি পুলিশ সুপারের অন্তরে দাগ কাটে। তিনি এই ঘটনার সত্যাসত্য নির্ধারণে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তিনি জানতে পারেন, ভিকটিম লাকী গুম হয়নি। স্বেচ্ছায় শাহীনের বাসা থেকে চলে গেছে। সে শুধু বেঁচেবর্তেই নয়, বিয়ে-শাদি করে রীতিমত ঘর সংসার করছে। লাকীকে গুম করার অপরাধে নিরপরাধ শাহীন দম্পতি কারাগারে আর ভিকটিম লাকী আছে শ্বশুর বাড়িতে।

বিচার ব্যবস্থার এটা একটি বড়ই পরিহাস।আমাদের দেশের আদালত মানুষকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারলেও কাউকে নির্দোষত্বের সার্টিফিকেট দিতে পারেন না। অবশ্য এই ত্রুটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, উন্নত বিশ্বের দেশগুলোও তাদের আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ পুলিশ ও বিজ্ঞতর আদালতে নিয়ে মানুষকে শতভাগ সুবিচার দিতে পারে না। প্রাপ্ত তথ্য মতে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতগুলোতে বিনা বিচারের শাস্তি পাওয়া নাগরিকের সংখ্যা সরকারি ভাবেই ৬%। বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন ইন্নোসেন্স প্রকল্পের হিসেব মতে এই হারা শতকরা ১০ ভাগের চেয়েও বেশি।

যাহোক, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর কথিত গুম হওয়া ভিকটিম লাকীকে শ্রীমঙ্গল সংলগ্ন বাহুবল উপজেলার একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার করে আদালতে উপস্থাপন করান পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম। সেই সাথে মামলার বাদী লাকীর বাবা তরাজ মিয়াকেও গ্রেফতার করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ‘জীবীত ও মৃত’ ছোট গল্পের নায়িকা কাদম্বরী মরিয়া প্রমাণ করিয়াছিল যে সে মরে নাই- আর জামাল পুরের পুলিশ সুপার জনাব নজরুল গুম হওয়া লাকীকে গ্রেফতার করিয়া প্রমাণ করিলেন যে সে গুম হয় নাই, খুনও হয় নাই। বহাল তবিয়তে শ্বশুর বাড়িতে আছে। অবশেষে আইনী প্রক্রিয়া শেষ করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিনা দোষে যাবজ্জীবনের সাজা পাওয়া শাহীন দম্পতি জামালপুর জেলখানা থেকে মুক্তি পায়। মুক্তি পেয়ে তারা লুটিয়ে পড়েন এসপি নজরুল ইসলামের পায়ে। প্রাণভরে দোয়া করেন তাকে। প্রার্থণা করেন, আল্লাহ যেন এই পুলিশ অফিসারটিকে বেহেস্ত নসিব করেন।

পুলিশ তার সরকারি ও আইনী দায়িত্ব পালনকালীন মানুষের শাস্তির খবর শুনে স্বস্তি পায়। কিন্তু তারা নির্দোষ মানুষকে জেল থেকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেও যে স্বস্তি পান তা জামালপুরের এসপি নজরুল ইসলাম প্রমাণ করলেন।
নির্দোষ শাহীন ও সজনীকে যাবজ্জীবন সাজার হাত থেকে বা

বাঁচিয়ে জামালপুরের পুলিশ সুপার জনাব নজরুল ইসলাম ও তার অধীন পুলিশ অফিসারগণ নিঃসন্দেহে একটি বেহেস্তে যাওয়ার মতো কাজ করলেন। নবজীবন প্রাপ্ত শাহীন ও তার পরিবারের সাথে পুলিশ সুপার ও তার অফিসারদের ছবিসহ প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবরটি দেখে আমার মনে পড়ে এডিএম জনাব আব্দুল মান্নান সাহেবের কথা- পুলিশের চাকুরি আসলেই বেহেস্তে যাবার চাকরি। পুলিশের চাকরি দোজখে যাবারও চাকরি। আইন, বিধি, সমাজ ও জনগণ কর্তৃক স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে মানুষের সুখ-দুঃখ হরণ বা বরণ করার প্রধানতম সরকারি চাকরি হল পুলিশের চাকরি।

তবে সিদ্ধান্ত একজন পুলিশ অফিসারের সম্পূর্ণ স্বকীয়। তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিবেন, তিনি আইনী ক্ষমতা প্রযোগ করে বেহেস্তে যাওয়ার কাজ করবেন, না আইনী ক্ষমতার অপব্যবহার করে নরকে যাবার পথ প্রসস্থ করবেন। পথের স্বকীয় কোন সত্ত্বা নেই। পথিকই পথকে স্বর্গীয় কিংবা নারকীয় করে তোলে। পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম তার পেশার পথটিকে আসলেই স্বগীয় করে তুললেন। তিনি নিজে সম্মানিত হলেও, তার পুলিশকেও সম্মানিত করলেন। জয়তু, এসপি নজরুল।


সূত্র:
১. প্রথম আলো 26 নভেম্বর, 2013

২. প্রথম আলো, 24 ফেব্রুয়ারি, 2014



মন্তব্য চালু নেই