ঢাকায় আনা হচ্ছে দিয়াজের মরদেহ

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর সকাল ৯টার দিকে মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে সিআইডি।

আদালতের নির্দেশে পুনঃময়নাতদন্তের জন্য এই কেন্দ্রীয় নেতার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

মরদেহ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন দিয়াজের মামা সাজেদ বিন আমিন, সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি অহিদুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম সর্দার ও বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোকাদ্দেস মিয়া।

এএসপি অহিদুর রহমান বলেন, মরদেহ উত্তোলনের পর প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষ করে বিকেলের মধ্যে মরদেহ চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হবে। রাত ১০টার মধ্যে পুনরায় দিয়াজের মরদেহ সমাহিত করা হবে।

দিয়াজের মামা সাজেদ বিন আমিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দিয়াজ আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা আশা করছি পুনঃময়নাতদন্তে তা বেরিয়ে আসবে।’

এর আগে গত ২০ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার ভাড়া বাসা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দুদিন পর ২৩ নভেম্বর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় দিয়াজ আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে পরদিন ২৪ নভেম্বর চবির সহকারী প্রক্টর ও ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ১০ জনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা করে তার পরিবার।

গত মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দে মামলার তদন্তকারী সিআইডিকে মরদেহ উত্তোলন করে পুনঃময়নাতদন্তের আদেশ দেন।



মন্তব্য চালু নেই