মেইন ম্যেনু

২০ হাজার পরীক্ষার্থীর নিবন্ধনে ভুল

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার বাংলা সনদপত্র দেখে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেটের (জেএসসি) ইংরেজি নিবন্ধন করতে গিয়ে অসংখ্য ভুল করেছে মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকরা। কোনো পরীক্ষার্থীর নামের বানান, কারও বাবা বা মার নাম ভুল করে শিক্ষা বোর্ডে অনলাইনে আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন শিক্ষকরা। আবার কোনো পরীক্ষর্থীর ছবির স্থানে ভুলবশত অন্য ছাত্রছাত্রীর ছবি দেয়া হয়েছে।
যশোর বোর্ডের প্রায় ২০ হাজার জেএসসি পরীক্ষার্থীর নিবন্ধনে এমন ভুল ধরা পড়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এ ভুলের খেসারত দিচ্ছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা। পরীক্ষার ২০ দিন আগে ভুল সংশোধনে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
বোর্ড সূত্রমতে, যশোর বোর্ডর অধীনে রয়েছে ২ হাজার ৭৫০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রায় প্রতিটি স্কুলের ৫ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীর এরকম ভুল হয়েছে। এ হিসেবে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন ভুলে ভরা। এই ভুলগুলো সংশোধন করতে বোর্ডের কম্পিউটার বিভাগের দায়িত্বরত অপারেটরদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বোর্ড সূত্রমতে, তথ্য প্রযুক্তির যুগে এইচএসসি, এসএসসির মতো জেএসসির নিবন্ধনসহ আনুষঙ্গিক কার্যাদি এখন অনলাইনে সম্পাদন করেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে পরীক্ষার্থীদের নিবন্ধন সম্পাদনের ক্ষেত্রে স্ব স্ব বিদ্যালয় ফরমপূরণ করে পরীক্ষার্থীদের ছবি স্ক্যান করে বোর্ডে প্রেরণ করে থাকে। জেএসসিতে এবারও সেই প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন করতে গিয়ে বেশিমাত্রায় ভুল হয়েছে।
পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী সনদ (পিএসসি) দেখে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জেএসসির নিবন্ধন আবেদন করতে গিয়ে এ ভুল করেছেন। পিএসপির সনদ বাংলায় হওয়ায় জেএসসির নিবন্ধন ইংরেজিতে করতে গিয়ে এ ভুল করেন শিক্ষকরা। আর সেই ভুল সংশোধন করতে স্কুলগুলো এখন বোর্ডে ধর্ণা দিচ্ছে।
যশোর বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক আব্দুস সালাম বিশ্বাস জানান, পিএসপির সনদ বাংলায়। আর জেএসসির নিবন্ধনসহ সব কার্যক্রম ইংরেজিতে। এসব কার্যক্রম এখন অনলাইনে করা হয়। বিদ্যালয়গুলো বাংলা সনদ দেখে ইংরেজিতে নাম, বাবার নাম, মার নাম লিখতে গিয়ে ভুল করেছে। আবার কারও ছবির স্থানে অন্য শিক্ষার্থীরা ছবি সংযুক্ত হয়েছে। বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীরা ও ইংরেজি শিক্ষকরা মিলে নিবন্ধন কার্যক্রম করলেও তারা অভিজ্ঞ নয়। যে কারণে এরকম ভুল হয়েছে। তবে তারা সংশোধনে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
এদিকে, বোর্ডের কম্পিউটার বিভাগ ভুল সংশোধন করতে গিয়ে পরীক্ষার ২০ দিন আগেও নিবন্ধনের পুরো কাজ শেষ করতে পারেননি। যে কারণে স্কুলগুলোতে এবার নিবন্ধন কার্ড দিতে অন্যবারের তুলনায় দেরি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বোর্ডর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আবু দাউদ জানিয়েছেন, স্কুলগুলোর ভুলে খেসারত দিতে হচ্ছে বোর্ডের। তারপরও জেএসসি পরীক্ষা শুরুর ১৫দিন আগে প্রবেশপত্র দেয়ার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। এ জন্য ছুটির দিনেও কাজ করা হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই