মেইন ম্যেনু

রাণীনগরে চাউল কল মালিক গ্রুপের নব-নির্মিত নিজস্ব ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন কালে

হ্যাসকিং চাউলকল মালিকদের ব্যবসায় টিকে থাকতে সরকার সব ধরণের সহযোগিতা দিবে

নওগাঁ -৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম বলেছেন, নওগাঁ জেলায় সব চেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদন হয় আমার নির্বাচনী এলাকায়। এখানকার উৎপাদিত চাল উন্নত মানের হওয়ায় দেশ-বিদেশে এর কদরও বেশি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে চলিত মৌসুমে সরকারি চাল সংগ্রহ অভিযানে এই উপজেলায় সব চেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে হ্যাসকিং চাউল কল মালিকরা ক্ষতির মুখে পড়ছে। রাণীনগর উপজেলায় প্রায় ১শ’ ৪০টি হ্যাসকিং চাতাল মিল রয়েছে।

প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে অটো রাইস মিল মালিকদের সাথে পাল্লা দিয়ে ছোট ছোট মাঝারি হ্যাসকিং চাউল কল মালিকেরা ব্যবসা টিকে রেখে জীবন-জীবিকার বাৎসরিক ব্যয় মিটাতেই তারা হিমশিম খাচ্ছে। খুব শীঘ্রয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং গুদাম ঘড়ের সল্পতা দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। হ্যাসকিং চাউল কল মালিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার সব ধরণের সহযোগিতা দিবে। গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলার কুজাইল বাজারে রাণীনগর উপজেলা চাউল কল মালিক গ্র“পের নব-নির্মিত নিজস্ব ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

উপজেলা চাউল কল মালিক গ্র“পের সভাপতি আলহাজ্ব মোসাদ্দেক খান বাবলু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আনোয়ার হোসেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম আল-ফারুক জেমস্, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়াজের হোসেন, চাউল কল মালিক গ্র“পের সহ-সভাপতি মাস্টার রমেশ চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক শীতানাথ ঘোষ, যুগ্ন সম্পাদক আসাদুল শাকিদার, চাল ব্যবসায়ী রনজিৎ সাহা, মাহফুজুর রহমান রকেট, রফিকুল আলম বাবু, ধান ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, আসাদুজ্জামান বাচ্চু, মোয়াজ্জেম হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক জামিল প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই