মেইন ম্যেনু

সাংবাদিকদের অস্তিত্ব থাকবে না

বিশিষ্ট সাংবাদিক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ইউনিয়ন ভাঙায় সাংবাদিকদের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। প্রেসক্লাব ভাঙলে সাংবাদিকদের আর অস্তিত্ব থাকবে না।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রেসক্লাবের হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে ‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও জাতীয় প্রেসক্লাব’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘অতীতে আমরা বিভিন্ন অধিকার আদায়ের আন্দোলন করেছি প্রেসক্লাবকে ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে। প্রেসক্লাব হচ্ছে বহুমতের প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা এখন দু’টি রাজনৈতিক দলের মদদ পাওয়ার চেষ্টা করি। এ কারণে সাংবাদিকদের প্রতিটি ইউনিয়ন এখন দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘একটা সময় ছিল এডিটর ও সিনিয়র সাংবাদিকদের নিয়ে আমরা অধিকার আদায় করতাম। কিন্তু এখন এডিটর-সিনিয়র সাংবাদিকরা প্রেসক্লাবে আসেন না। সাংবাদিকতার উন্নয়ন করতে হলে এসব সমস্যা সমাধান করতে হবে। প্রেসক্লাবকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকতার উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।’

বিএফইউজের মহাসচিব আব্দুল জলিল ভুঁইয়া বলেন, ‘বর্তমানে যারা সাংবাদিকতার নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের দুই একজন ছাড়া কেউই প্রেসক্লাবের সদস্য নন। বর্তমান যুগ ডিজিটাল হলেও প্রেসক্লাব এখনও অ্যানালগই থেকে যাচ্ছে। প্রেসক্লাবকে ডিজিটাল করতে হলে নতুন প্রজন্মকে প্রেসক্লাবের সদস্য করতে হবে।’

সেমিনারে অন্য সাংবাদিক নেতারা বলেন, রাজনৈতিক কারণে প্রেসক্লাবের সদস্য পদ দেয়া হলে তা কারো জন্য সুখকর হবে না। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় দল মত ভুলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তারা আরো বলেন, এখন সব প্রতিষ্ঠানই কমবেশি রাজনৈতিক প্রভাবে বিভক্ত। একমাত্র প্রেসক্লাব বিভাজিত হয়নি। অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদেই প্রেসক্লাবকে বিভাজনের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। দলীয় প্রভাব থেকে মুক্ত করতে হবে।

প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি রওনক হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের একাংশের সভাপতি শওকত মাহমুদ, প্রবীণ সাংবাদিক কামালউদ্দিন, প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য হাসানুজ্জামান খান, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য এএসএম হাবিবুল্লাহসহ বিশিষ্টি সাংবাদিকরা।






মন্তব্য চালু নেই