মেইন ম্যেনু

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন মুফতি হান্নান

ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও তিনজনকে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা হরকাতুল জিহাদ (হুজি) নেতা মুফতি আবদুল হান্নান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন। গত সপ্তাহে রিভিউ আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রাণভিক্ষার আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তিনি প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। কাশিমপুর কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেল সুপার জানান, সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে মুফতি হান্নান লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছেন। তবে তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল আলম বিপুল এখন পর্যন্ত প্রাণভিক্ষা চাননি। তার কাগজপত্র তৈরি করতে কিছু বিলম্ব হচ্ছে। তবে তিনিও প্রাণভিক্ষা চাইবেন।

রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় ২২ মার্চ প্রকাশিত হয়। আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি ওইদিন রাতে কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছায়। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা অপর দুজন হলেন শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল ও দেলোয়ার ওরফে রিপন।

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। এরপর প্রায় সাত বছর পর গত বছরের ৬ জানুয়ারি এ মামলায় হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল রেখে ১১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

গত বছরের ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ১৪ জুন রায় হাতে পাওয়ার পর ১৪ জুলাই আপিল করেন দুই আসামি হান্নান ও বিপুল। অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রিপন আপিল না করলেও আপিল বিভাগ তার জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করেন। আপিলের শুনানি শেষে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর আসামিদের আপিল খারিজ হয়ে যায়।

গত ১৭ জানুয়ারি এ রায় প্রকাশের পর আসামিরা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। ২০ মার্চ দেওয়া রিভিউ খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় ২২ মার্চ প্রকাশিত হয়।






মন্তব্য চালু নেই