মেইন ম্যেনু

মৈত্রী এক্সপ্রেস-২ : খুলনা-কলকাতা রুটে স্লিপার বসানোর কাজ শুরু

খুলনা থেকে যশোর হয়ে ভারতের কোলকাতা ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস-২’ চলাচল শুরু করতে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এই রুটে নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে যশোর জোনের আওতায় ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও পুলিশ ব্যারাক তৈরিসহ বেনাপোল পর্যন্ত ৮.৮ কিলোমিটার রেলপাটি ও স্লিপার বসানোর কাজ চলছে।

খুলনা-কোলকাতা রুটে ট্রেন চলাচল হবে এমন কথা শোনা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই। বাংলাদেশ ও ভারতের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সভা ও আলোচনায় সেটি উঠেও আসে। তারই অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও পুলিশ ব্যারাক। বেনাপোল বন্দরে ইমিগ্রেশন ভবন তৈরিতে ব্যয় করা হয়েছে ৯৩ লাখ টাকা। তার পাশে ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন রয়েছে কাস্টমস ভবন ও যাত্রী নিরাপত্তার জন্য রেলওয়ে পুলিশের একটি ব্যারাক নির্মাণ হচ্ছে ৪৪ লাখ টাকায়। বর্তমানে সেখানে রঙ ও টাইলস বসানোর কাজ চলছে। শুধু এই তিনটি অবকাঠামোতে সরকার ব্যয় করছে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

এছাড়া রেললাইন সংস্কার ও স্লিপার বসানো হচ্ছে। যশোর থেকে বেনাপোল পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার পথের মধ্যে ৮.৮ কিলোমিটার রেলপাটি ও স্লিপার বসানোর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। রেলওয়ে যশোর জোন জানিয়েছে, ‘এ পর্যন্ত ১৭৮টি স্টিলের স্লিপার বসানো হয়েছে।’ বিভিন্ন স্টেশন থেকে এ স্লিপার, রেলপাটি আনা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে যশোর রেলস্টেশন থেকে মালঞ্চি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বেশ জোরেসোরেই চলছে রেলপাটি ও স্লিপার বসানোর কাজ। শাবল, গাইতি, হাম্বর, হাতুরি, আগর নিয়ে রেল শ্রমিকরা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের কাজ। কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে তারা যশোর রেলস্টেশন থেকে ট্রলিতে করে রেলপাতি, স্লিপার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ঠেলে পৌঁছে দিচ্ছেন কাজের স্থানে। বাকিরা সেগুলোকে নিয়ে বসিয়ে দিচ্ছেন যথাযথ স্থানে। খোলাডাঙ্গা এলাকায় কর্মরত শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল অবধি নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করছেন।

এদিকে এই রেল চালু হলে যশোর-বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে কোলকাতা পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার পথে কষ্ট, সময় ও খরচ কমে যাবে। বেড়ে যাবে ব্যবসা বাণিজ্যের পরিধি; এমনটি মনে করছেন এ অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও ভারত গমনেচ্ছুরা।






মন্তব্য চালু নেই