মেইন ম্যেনু

সব নয়, ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বেচে

পরীক্ষায় কোনো গ্যাপ নয় : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে সরকারি বন্ধ ছাড়া পরীক্ষার মাঝখানে কোনো গ্যাপ থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।
বুধবার সচিবালয়ে এইচএসসি ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষাগুলো দীর্ঘ এক-দেড় মাস ধরে নেয়া হয়। এটা আর সামনে নেয়া সম্ভব হবে না। অবশ্যই পরীক্ষার মাঝে কোনো গ্যাপ থাকবে না।’
মন্ত্রী নিজেই স্বল্প সময়ে পরীক্ষা দিয়েছেন উল্লেখ করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারাও এরকম অল্প সময়ে পরীক্ষা দিয়েছেন। তাহলে এখন কেন শিক্ষার্থীরা স্বল্প সময়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না?’
স্বল্প সময়ে পরীক্ষা নিলে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ অনেকটা সহায়ক হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি। স্বল্প সময়ে পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এছাড়া সামনে যে গ্যাপ থাকবে না এ জন্য আগেই প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘প্রশ্নফাঁস রোধে যা যা করার দরকার তা-ই করা হবে। পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনও করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জাফর ইকবাল ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্র দেখিয়েছেন। কিন্তু কার কাছ থেকে তিনি এ প্রশ্ন পেয়েছেন তা বলেননি। ফলে তার ঐ সূত্র ধরে তদন্ত কমিটি এগুতে পারেনি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শুধুমাত্র ফরিদপুরে একজনকে প্রশ্নপত্রসহ ধরা হয়। তাকে কেন্দ্র করেই মূলত প্রশ্নপত্র ফাঁস কিভাবে হলো সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রায় ১১লাখ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এসেছে। কিন্তু ঐ অভিযোগের ভিত্তিতে পরীক্ষা বাতিল করা হযনি। কারণ আংশিক প্রশ্ন মিলের কারণে পুরো ১১ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে পারে না।’
তদন্ত কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

## সব নয়, ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বেচে
দেশের ১৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বিক্রি করে বলে স্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
বুধবার সচিবালয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সব ক্ষেত্রে টিআইবির রিপোর্টকে সঠিক মনে করি না।’
টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট দেয়া সংক্রান্ত টিআইবির অভিযোগের বিষয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সাংবাদিকদের জানাবেন বলে জানান মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, ‘সবক্ষেত্রে অর্থ দিয়ে সার্টিফিকেট কেনা হয় এমন কোনো প্রমাণ টিআইবি দেয়নি।’
তবে, ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বিক্রি করে স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে ঐ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদালত থেকে স্টে অর্ডার নিয়ে আসে বলে বিষয়টি থেমে যায়।’
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস না করে, পরীক্ষা না দিয়ে টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। শিক্ষা খাতটি মুনাফাভিত্তিক খাতে পরিণত হওয়ায় ট্রাস্টিবোর্ড নিয়ে দ্বন্দ্ব, ক্যাম্পাস দখল, শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট, উদ্যোক্তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে তদারকি বা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ অসহায় হয়ে পড়েছে।






মন্তব্য চালু নেই