রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুল ইসলাম টিটুর উত্থান কাহিনী!

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পলোয়ারপাড়া এলাকার আবুল হাসেম প্রকাশ হাসি মিয়ার পুত্র পুলিশের তালিকায় পালতক শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুল ইসলাম টিটু আটকের পর মুখ খুলেছেন এলাকার মানূষ। জানা গেছে তার অপরাধ জগতে যাওয়ার নানা কাহিনী।

টিটুর উত্থান : রাউজান থানা পুলিশের হাতে আটক শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুল ইসলাম টিটুর উত্থান এনডিপি’র ক্যাডার হিসাবে। পরে সে বিএনপিতে যোগ দেয়। বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকে সে এক সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের সহযোগি হিসাবে কাজ করতো। তখন থেকে এলাকায় হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজী ও ডাকাতির মত র্দুধর্ষ ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে। পরিচিতি পায় ত্রাস টিটু হিসাবে। এই সন্ত্রাসী সব সময় ক্ষমতাসীন দলের হয়ে কাজ করাই এতদিন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরা ছোঁয়ার বাহিরে ছিল।

এলাকায় স্বস্তি: শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুল ইসলাম টিটু আটকের পর এলাকার মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। আবদুল রহিম নামে একজন জানান, দক্ষিণ নোয়াপাড়া মানুষ এক সময় জিম্মি ছিল তার হতে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে কিছুটা ভয় কেটেছিল। সেই নতুন করে এলাকায় এসে আবরো হত্যা কান্ড চালায়। তার গুলিতে গত বছর মোবারক নামে এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়।

চাঞ্চল্যকর মামলা: এই সন্ত্রাসী ৯৬ সালে নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ী লুট ও পুলিশ হত্যা, চাঞ্চল্যকর শ্রকান্ত রক্ষিত হত্যা ও নোয়াপাড়ার মোবারক হত্যা মামলার অন্যতম আসামী। থানা সূত্রে জানা যায়, তার নামে ৮টি খুনের মামলা, ১টি ডাকাতি, ও ৬টি অপহরণ মামলাসহ ১৬টি মামলা নথিভূক্ত আছে থানায়। উল্লেখ্য আটক সন্ত্রাসী টিটু চাঞ্চ্যলকর শ্রীকান্ত রক্ষিত, নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশ হত্যা অস্ত্র লুটসহ যুবলীগ নেতা মোবারক হত্যা মামলার আসামী।

যে ভাবে আটক: রাউজান থান পুলিশ গোপন সংবাদের ভিক্তিতে সন্ত্রাসী কামরুল হাসান টিটুকে গ্রেফতার করে গত সোমবার। গ্রেফতারের পর থানায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে। এসময় সে পুলিশকে অস্ত্র ও বোমা সম্পর্কে তথ্য দেয়। এই তথ্যের ভিত্তিতে রাত দেরটার দিকে পুলিশ তাকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যায়।

টিটুর বাড়ির পলোয়ানপাড়ার কাছের সূর্য সেন পল্লী এলাকায় গেলে টিটুর সহযোগিরা তাকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে এবং পুলিশের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনায় টিটু গুলিবিদ্ধ হয়। এতে তিনজন পুলিশও আহত হয়।



মন্তব্য চালু নেই