মাগুরা সদরের ১২ ইউপি নির্বাচনে ভোট গ্রহন সম্পন্ন

শ্রাবণ, মাগুরা: মাগুরায় বিচ্ছিন্ন দুই একটি ছোট ঘটনা ও মৌখিক অভিযোগ ছাড়া শান্তিপুর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে সদর উপজেলা ১২ টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে এ ভোট গ্রহন। ভোট গ্রহন চলাকালে ভোটারদের লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে। বিশেষ করে প্রতিটি কেন্দ্রে মহিলা ভোটারদের লাইন ছিল দীর্ঘ। অনেক কেন্দ্রে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের অন্যর সাহায়তায় ভোট কেন্দ্রে আসতে দেখা গেছে। শান্তিপুর্ণ পরিবেশের ভোট গ্রহনের জন্য অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটার ও প্রার্থীদের সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তবে মঘি, জগদলসহ কয়েকটি ইউনিয়নে একাধিক কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীদের এজেন্ট দেখা য়ায়নি। মঘি ইউনিয়নের ভাবনহাটি হাইস্কুল কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টায় নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের প্রকাশ্যে বেলট পেপারে সিল মারতে বাধ্য করা হয়। বিষয়টি প্রিজাইডিং অফিসারের দৃষ্টিতে এলে তিনি তাৎক্ষনিকভাবে তা বন্ধ কওে দেন। তবে আবুল খায়ের ও সাইফুল নামে দুই ভোটার বলেন, তারা সম্প্রতি বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছেন। যে কারনে বিশ্বাস অর্জনের জন্য প্রকাশ্য নৌকা মাকায় সিল মেরেছেন।

তবে সদর উপজেলার আঠারখাদা ইউনিয়ন পরিষদ ভোট কেন্দ্রে হারুন নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীর সাথে পুলিশের তর্কবির্তক ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এময় পুলিশের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটলে পুলিশের লাঠি চার্জ হারুন নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী সামান্য আহত হয়। তবে এ ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থী মুক্তার হোসেন দাবী করেছেন এ সময় আওয়ামীলীগ প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় তিনিসহ তার দুই কর্মী আহত হয়েছেন। হাজিপুর ইউনিয়নে শ্রীরামপুর গ্রামে ইয়ামমিন ও আফরোজ জানান, ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় মশিয়ার নামে এক মেম্বর প্রার্র্থী সমর্থকেরা তাদের কুপিয়ে জখম করেছে। তারা তালেব নামে অপর মেম্বর প্রার্থীর সমর্থক। তাদের মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে কছুন্দি ও জগদল ইউইনয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী বাবি বিল্লাহ ও জাহিদুর রহমান ক্ষমতাশীন দলের প্রার্থীর সমর্থকদের দ্বারা তার ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের হুমকি ধামকি দেখানোর অভিযোগ করেছেন। জাহিদুর রহমান কেন্দ্র থেকে তার এজেন্ট বের করে নৌকার পক্ষে সিল মারার অভিযোগ করেছেন। তবে জগদল স্কুল কেন্দ্রসহ অধিকাংশ কেন্দ্রে তার এজেন্ট পাওয়া যায়নি। তবে জগদল প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রে থাকা তার এক এজেন্ট খলিলুর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান ভোট সুষ্ট হচ্ছে। কেউ নৌকায় ছিল মারেনি। পুলিশ একেএম এহসান উল্লাহ জানান, শতভাগ সুষ্ট ও শান্তিভাবে ভোট হয়েছে। কোথাও বিন্দু মাত্র অনিয়ম হয়নি। ৬-৭ যুবক আঠারখাদা ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে ঢুকতে গেলে পুলিশ গেলে পুলিশ তাদের লঠিচার্জ করে। এসময় তারা পালিয়ে যায়।



মন্তব্য চালু নেই