‘নাশকতার নির্দেশদাতাদেরও গণধোলাই দিতে হবে’

নাশকতার নির্দেশদাতাদেরও গণধোলাই দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সোমবার ‘বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি’ আয়োজিত ‘লাগাতার অবরোধ ও নাশকতার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের’ প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘পত্রিকা খুললেই দেখা যাচ্ছে যারা বোমা ছুড়ছে তাদেরকে গণধোলাই দিচ্ছে জনগণ। কিন্তু শুধু তাদের গণধোলাই দিলেই চলবে না। এবার নির্দেশদাতাদেরও গণধোলাই দিতে হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতে যেকোনো মূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে হবে। দেশে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকার বদ্ধ পরিকর।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি রাজনীতির নামে মানুষ হত্যা শুরু করেছে। অবরোধের দিয়ে মানুষের উপর হামলা করছে।এমন রাজনৈতিক মূল্যবোধ থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি চায়।’

খালেদা জিয়ার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আরাফাত রহমান কোকোর স্বাভাবিক মৃত্যুতে তিনি এত ভেঙে পড়েছেন। কিন্তু আন্দোলনের নামে যে হাজার মায়ের বুক খালি করেছেন, এই মায়েদের আহাজারি কি আপনার কানে পৌঁছায় না?’

সমবেদনা জানাতে গিয়ে প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, দেশ ও বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে এমন ঘটনার নজির নেই বলেও মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. আখতারুজ্জামান খান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল হক আলো, সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রশীদ ও আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক হাসিবুর রহমান মানিক প্রমুখ।

একই সময় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত হরতালের প্রতিবাদে সমাবেশেও বক্তব্য দেন হাছান মাহমুদ।

সমাবেশে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে না আসা পর্যন্ত নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে, চলবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এম এ করিম প্রমুখ।



মন্তব্য চালু নেই