জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়েন সালাহ উদ্দিন

এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে যান বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ। কয়েকদফা চেষ্টার পর সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে দালালের মাধ্যমে তিনি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে যেতে সক্ষম হন বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, গত ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরার তিন নম্বর সেক্টরের ১৩-বি নম্বর সড়কের বাসা থেকে নিখোঁজ হন বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ। এরপর তিনি দেশের কয়েকটি এলাকা দিয়ে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক নজরদারীর কারণে তিনি দেশ ছাড়তে পারেননি। পরে দালালের মাধ্যমে এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে মেঘালয় যেতে সক্ষম হন।

ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও জানান, সালাহ উদ্দিনের উদ্দেশ্য ছিল নেপাল যাওয়ার। মেঘালয় যাওয়ার পর সেখান থেকে তিনি নেপালে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কিন্তু ২৫ এপ্রিলের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর সে পরিকল্পনা বাদ দেন। এক পর্যায়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েন সালাহ উদ্দিন।

মঙ্গলবার মেঘালয়ের গলফ গ্রিন এলাকায় ঘোরাঘুরির সময় সালাহ উদ্দিন আহমেদকে সেখানকার পুলিশ আটক করে। তিনি সেখানকার পুলিশকে অসুস্থতার কথা জানালে তাকে শিলংয়ের মেঘালয় ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মেঘালয়ের শিলংয়ের একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, তারা এরইমধ্যে সালাহ উদ্দিন আহমেদের অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।

সালাহ উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানের বাসভবনে তার স্বামীর অবস্থানের কথা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের দোয়ায় আমার স্বামী ভালো ও সুস্থ আছেন। তিনি মেঘালয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’ বাংলা ট্রিবিউন



মন্তব্য চালু নেই